স্বামীকে কৌশলে সমুদ্র সৈকতে ডেকে নিয়ে, তাকে লোকজন দিয়ে পি’টিয়ে আ’হত করে ফেলে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ভা’গলেন এক নববধূ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এমনই ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট ফ্রাই মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়।

 

মা’রধ’রের শি’কার পর্যটকের নাম মনিরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা জেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। মনিরুল দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম নূরে জান্নাত।

 

মনিরুলের বয়ান থেকে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে পারিবারিকভাবে তিনি নূরে জান্নাতকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার সকালে মনিরুল তার স্ত্রীকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে যেতে চাইলেও স্ত্রীর আবদা’র কুয়াকাটা যাবেন।

 

সেদিনই সন্ধ্যায় কুয়াকাটায় গিয়ে তারা হোটেল তা’জে ওঠেন। মনিরুলের অভি’যোগ, ‘সৈকতে ঘোরাঘুরি করে আমরা হোটেলে চলে আসি। কিন্তু আমার স্ত্রী আবার সৈকতে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরো’ধ করে। অনি’চ্ছা সত্ত্বেও যাই।

 

সৈকতের জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকি কিছুক্ষণ। পরে সে আমাকে হাঁ’টার জন্য অনুরো’ধ করে। হাঁটতে হাঁটতে ফ্রাই মার্কেট পেরিয়ে সে আমাকে অ’ন্ধকারে নিয়ে যায়। সেখানে চার-পাঁচজন লোক আমার ওপর হা’মলা করে।

 

আমি বাঁচার জন্য স্ত্রীকে আঁক’ড়ে ধরি। কিন্তু সে আমাকে বাঁচা’নোর চেষ্টা না করে ওই লোকগুলোর সঙ্গে পা’লিয়ে যায়। মনিরুলের অভিযোগ, স্ত্রী নূরে জান্নাত তার প্রেমিকের স’ঙ্গে পা’লিয়েছেন।

 

খায়রুল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘তাদের (মনিরুল ও তার স্ত্রী) দুজনকে সৈকতে নামতে দেখেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি লোকটা র’ক্তা’ক্ত। কয়েকজন তাকে পুলিশ ব’ক্সে নিয়ে আসেন।’

 

কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন, ‘খবর পেয়ে মা’রধ’রের শি’কার পর্যটককে উ’দ্ধার করি। তার শরীরে আ’ঘা’তের চি’হ্ন রয়েছে। পরে আমাদের কয়েকটি টিম আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার স্ত্রীকে পায়নি।

 

মনিরুলকে তার পরিবারের লোকেরা নিয়ে গেছেন। এদিকে নূরে জান্নাতের বাবা হারুন অর-রশিদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা চলে এসেছি। তবে আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে তা এখনো জানতে পারিনি। পারিবারিকভাবে আমরা বিষয়টি মী’মাংসা করব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.