খুলনার মহেশ্বরপাশা থেকে নি’খোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষ’ত অব’স্থায় ফরিদপুরে উ’দ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নি’খোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার স’ন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছ’বি ছুঁ’য়ে যায় সবাইকে।

 

তবে রহিমা বেগমকে উ’দ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি স্বে’চ্ছায় আ’ত্মগো’পনে ছিলেন। মাম’লার প্রথম তদ’ন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উ’দ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উ’দ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

 

রহিমা বেগমের খুলনার বা’ড়িতে বেশ কয়েক বছর আগে কুদ্দুস মোল্লা নামে এক ব্য’ক্তি ভা’ড়া থাকতেন। তার বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালখালী উপজেলার সৈয়দপুরে। ওই বাড়িতেই রহিমা বেগম আ’ত্মগো’পনে ছিলেন। দৌলতপুর থানার নাম প্র’কাশে অ’নিচ্ছুক এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘জমি সং’ক্রা’ন্ত বি’রো’ধের জেরে প্র’তিপ’ক্ষকে ফাঁ’সাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অ’পহ’রণের নাটক সাজান।

 

রহিমা আ’ত্মগো’পনে যাওয়ার পর অ’জ্ঞাত’পরি’চয় যেকোনো নারীর ম’রদে’হকে মা’য়ের বলে দা’বি করার পরিক’ল্পনাও সা’জিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা। এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উ’দ্ধার করা একটি ম’রদে’হকে মায়ের বলে দা’বি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

 

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নি’খোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি ‘আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অপহ’রণ মাম’লা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

 

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডা’য়েরি করেন। রহিমা অ’পহৃ’ত হয়েছেন দা’বি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা। রহিমার স’ঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মা’মলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মাম’লায় আসা’মিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

 

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অ’পহ’রণ মা’মলা পি’বিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উ’দ্ধার করা এক নারী’র ম’র’দে’হকে রহিমা বেগমের বলে দা’বি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা’য়ের লা’শ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

 

পরদিন সকালে নি’খোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান। এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দা’বি করেন, এটিই তার মায়ের ম;রদে’হ। সুত্রঃ নিউজ বাংলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *