৩০ বছর আগের ভাড়াটিয়ার বাড়িতে উঠে বিপদে ফেললেন সেই পরিবারের সবাইকে

নি’খোঁজ হওয়ার ২৯ দিন পর খুলনার আ’লোচিত রহিমা বেগমকে শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে অ’ক্ষ’ত অবস্থায় উ’দ্ধার করেছে পুলিশ।

 

খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এ’লাকা থেকে রহিমা বেগম নি’খোঁজ হয়েছিলেন। বোয়ালমা’রীর যে বাড়ি থেকে তাকে উ’দ্ধার করা হয়েছে ওই বাড়ির মালিক (৭০) কুদ্দুস মোল্যা ২৫/৩০ বছর আগে খুলনার মিরেরচর এলাকায় অবস্থিত সোনালী জুট মিলে কাজ করতেন।

 

তখন রহিমা বেগমের বাড়িতে তিনি ভাড়া থাকতেন। এ ঘটনায় জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য কুদ্দুস মোল্যার পরিবারের তিন সদস্যকে আ’টক করে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

কুদ্দুস মোল্যার ভা’গ্নে জয়নাল খান বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রহিমা বেগম নামের ওই নারী মামার (কুদ্দুস মোল্যা) বাড়িতে এসে আশ্রয় চান। এরপর গত শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ই’উটি’উবে ওই নারীর ছবিসহ নি’খোঁজ হওয়ার একটি সংবাদ দেখি।

 

বিষয়টি মামাতো ভাই আল আমিনকে (কুদ্দুস মোল্যার ছোট ছেলে) জানালে সে রহিমা বেগমের বড় ছেলে মিরাজের মোবাইল ফোনে ফোন দেয়। কিন্তু ফোন ধরেন তার স্ত্রী। তিনি বির’ক্ত প্রকাশ করেন এবং এ ব্যাপারে আর ফোন দিতে নি’ষেধ করেন।

 

পরে বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনকে জানাই। তিনি খুলনার পুলিশ কমিশনারকে জানালে শনিবার রাতে খুলনা থেকে একদল পুলিশ এসে রহিমা বেগমকে নিয়ে যায়।

 

জয়নাল খান আরও জানান, এ ঘটনায় জি’জ্ঞাসা’বাদের কথা বলে কুদ্দুস মোল্যার স্ত্রী হীরা বেগম (৬০), তার ছোট ছেলে আল আমিন (২৫), কুদ্দুস মোল্যার ভাই আবুল কালামের স্ত্রী রেহেলা বেগমকে (৪৫) আ’টক করে তাদের সঙ্গে খুলনা নিয়ে গেছে।

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *