বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আ’লোচিত নাম মরিয়ম মান্নান। ঠিক একমাস পূর্বে মায়ের নি’খোঁজ সংবাদ দিয়ে আ’লোচনায় এসেছিলেন যে তরুণী। এরপর তাকে ঘিরে শুরু হওয়া আ’লোচনায় লাগাম আসেনি।

 

সবশেষ এই তরুণীর মায়ের স’ন্ধান মেলার পরে তাকে নিয়ে তৈ’রি হয়েছে নানা প্রশ্ন, কৌ’তূহলের। গত ২৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার বাসার উঠানের নলকূপে পানি আনতে গিয়ে নি’খোঁজ হন রহিমা বেগম।

 

তার বড় মেয়ে অ’জ্ঞা’তদের বি’রু’দ্ধে অ’পহ’রণের মা’মলাও করেন। পুলিশ ওই মাম’লায় ছয়জনকে গ্রে’প্তা’রও করে। মাকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানবব’ন্ধনও করেন মরিয়ম মান্নান।

 

বিষয়টি আলোচিত হয় দেশজু’ড়ে। দীর্ঘদিনেও মরিয়মের মায়ের হদিস দিতে না পারায় পুলিশের স’মালো’চনাও করেন অনেকে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় উ’দ্ধার হওয়া একটি লা’শ নিজের মায়ের বলেও দা’বি করেছিলেন মরিয়ম।

 

তবে ২৯ দিন নি’খোঁজ থাকার পর গত শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুসের বাড়ি থেকে তাকে উ’দ্ধার করা হয়। ওই রাতেই রহিমা বেগমকে নিয়ে পুলিশের একটি দল খুলনার দৌলতপুর থা’নায় পৌঁছায়। এদিকে রহিমা বেগমকে উ’দ্ধারের খবর প্রকাশ হওয়ার পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মরিয়ম মান্নানকে ট্র’ল করছেন অনেকে।

 

এতদিনের কর্মকা’ণ্ডকে অভিনয় বলেও দা’বি করছেন অনেকে। বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে অরু’চিক’র ক্যা’পশনে ও আপ’ত্তিকর ভ’ঙ্গিতে ফেসবুকে মরিয়ম মান্নানের বিভিন্ন ছবি, ভি’ডিও স্ট্যা’টাস শেয়ার করছেন। তার অতীত, ব্য’ক্তিগত জীবন নিয়ে নানা ধরণের অ’শালী’ন মন্ত’ব্যও করছেন।

 

মরিয়ম মান্নানকে এভাবে সাই’বার হেন’স্তা’র বিষয়টি নজরে রাখছে পুলিশের অ’পরা’ধ তদ’ন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাই’বার ইন্টেলিজেন্স শাখা। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, যারা এই ধরনের কাজ করছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সব পোস্ট, মন্তব্য এবং নানা কার্যক্রম এক’ত্রীকরণ (ক’ম্পাইল) করা হচ্ছে।

 

এই ধরনের কর্মকা’ণ্ডকে আইনত দ’ণ্ডনীয় অপ’রাধ। রেজাউল মাসুদ আরও বলেন বলেন, ‘এটা আমরা মনিটরিং করছি। এটার ফ’লোআপটাও রাখছি। সিআইডির সাইবার ক্রা’ইম এটা পর্যবেক্ষণ করছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *