ওমানের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ৯ অক্টোবর গোটা ওমানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। ওমান সুলতানের রয়্যাল ডিক্রি অনুসারে মহানবী হযরত মোহাম্মাদ সা: এর জন্মদিন উপল’ক্ষে ওইদিন সরকারি ছুটি ঘো’ষণা করা হয়েছে।

 

দেশটির সুলতান হাইথাম বিন তা’রেকের রাজকীয় ফরমান অনুযায়ী ইসলামিক নববর্ষ উপল’ক্ষে পহেলা মহরম সরকারি ছুটি থাকবে। নবীর জন্মদিন উপলক্ষে ১২ই রবিউল আউয়াল সরকারি ছুটি থাকবে।

 

পবিত্র সবে মেরাজ উপলক্ষে রজব মাসের ২৭ তারিখে এবং ১৮ ও ১৯ দেশটির জাতীয় দিবস উপলক্ষে সরকারি ছু’টি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৯ রমজান থেকে শাওয়াল মাসের ৩ তারিখ পর্য’ন্ত এবং পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৯ই জিলহজ থেকে ১২ই জিলহজ পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘো’ষণা করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৭-সেপ্টেম্বর) ওমান নিউজ এজে’ন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসলাম ধ’র্মের সর্বশেষ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃ’তিময় দিন ১২ রবিউল আউয়াল। সৌদি আরবের মক্কা নগরে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন।

 

৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যা’গ করেন। বাংলাদেশে দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ঈদে মি’লাদুন্নবীতে সরকারি ছুটি থাকে। ১২ রবিউল আউয়ালকে অশেষ পুণ্যময় ও আশীর্বাদধন্য দিন হিসেবে বিবেচনা করেন ধ’র্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতার অ’ন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল, তখন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশ্বজগ’তের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন মহান সৃষ্টিকর্তা। হজরত মুহাম্মদ (সা.) নবুয়তপ্রা’প্তির আগেই ‘আল-আমিন’ নামে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

 

তার এই খ্যাতি ছিল ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও সত্যবা’দিতার ফল। তার মধ্যে সম্মিলন ঘটেছিল স’মুদয় মানবীয় সদগুণের: করুণা, ক্ষমাশীলতা, বিনয়, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা, শান্তিবাদিতা। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি কর্মময়তাও ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

 

ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে বিশ্বমানবতার মু’ক্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা ছিল তার ব্রত। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নি’র্বিশেষে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির মানুষ হিসেবে তিনি সর্বকালের সেরা মানুষ হিসেবে গোটা বিশ্বেই স্বীকৃত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *