কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে অ’সন্তো’ষ কেবল বা’ড়ছেই। বৈশ্বিক আসরের প্র’স্তুতির প্রক্রিয়ায় দেশটির বি’রু’দ্ধে মানবা’ধিকার ল’ঙ্ঘ’নের প্র’তিবা’দে এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ফ্রান্সের লিল শহর। সেখানে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের ম্যাচ না দেখানোর সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লিলের মেয়র মাখচিন ওব্রি শনিবার টুইট করে বিষয়টি জানান।

 

“লিলের সিটি কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে (…) কাতার বিশ্বকাপকে অ’স্বীকৃ’তি জানানোর জন্য ভোট দিয়েছে, এই বিশ্বকাপ মানবা’ধিকার, পরিবেশ ও খেলাধুলার জন্য একটি বা’জে দৃ’ষ্টান্ত। আমরা বড় পর্দায় কোনো ম্যাচ সম্প্র’চার করব না।”

 

মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম ও সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে এবার বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে কাতার। বিশাল এই আয়োজনের প্র’স্তুতিতে দেশটিতে কাজ করা অভিবাসী শ্রমিকদের স’ঙ্গে অ’মানবিক আচরণ করা হয়েছে বলে শুরু থেকে অভিযো’গ করে আসছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

 

অভিবাসী শ্র’মিকদের প্রা’ণহা’নির অ’ভিযো’গের প্রে’ক্ষিতে আয়োজক কাতারের কর্মকর্তারা ২০২১ সাল পর্যন্ত ৩৭ জনের মৃ’ত্যু হওয়ার কথা জানিয়েছিল। কাতার বিশ্বকাপের বি’রু’দ্ধে প্র’তিবাদ জানাতে ডেনমার্কের জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হু’মেল অভিনব এক কৌশল নিয়েছে। দলটির তিনটি জার্সিরই রং ফি’কে রাখা হয়েছে।

 

তাদের লাল, সাদা ও কালো জার্সিতে ডেনমার্কের লোগোও এমনভাবে রাখা হয়েছে যে, পরি’ষ্কারভাবে দেখার উপায় নেই। এ প্রস’ঙ্গে জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তারা চায় না ডেনমার্কের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ‘দৃ’শ্যমান হোক।’

 

প্রতিষ্ঠানটির দা’বি ‘হাজারো জীবনের বিনিময়ে’ এই আয়োজন। ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দাবি তুলেছে, এই বছরের বিশ্বকাপের অবকাঠামোগত কাজের সময় আ’হ’ত বা নিহ’ত হওয়া কাতারে অভিবাসী শ্রমিকদের পরিবারকে এর ক্ষ’তিপূ’রণ দিতে হবে।

 

ফিফার অংশীদার ও বিশ্বকাপের পৃষ্ঠপোষকদের অবশ্যই বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থা এবং কাতার সরকারকে এই ইভেন্টের আয়োজনে সহায়তা করার সময় ক্ষ’তিগ্র’স্ত হওয়া অভিবাসী শ্রমিকদের ক্ষ’তিপূরণ দেওয়ার দা’বি তোলা উচিত বলে স’ম্প্রতি মন্তব্য করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। আগামী ২০ নভেম্বর কাতার ও একুয়েডরের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *