যশোরের অভয়নগরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তা’স খেলে শিক্ষক দিবস উদ্‌যাপন করেছে পায়রাহাট ইউনা’ইটেড কলেজের খ’ণ্ডকালীন বাংলা শিক্ষক ও অ’ন্বেষণ নামের একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক রফিক সানি। গতকাল বুধবার দুপুরে পায়রা বাজার সংল’গ্ন অ’ন্বেষণ কোচিং সেন্টারে ওই শিক্ষকের বে’ডরুমে এ ঘটনা ঘটে।

 

এ সংক্রা’ন্ত একটি ছবি ফেসবুকে শে’য়ার দেওয়ার পর স’মালোচ’নার সৃ’ষ্টি ওঠে। ছ’বির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো অন্যা’য় কাজ করেননি বলে জানান ওই শিক্ষক। তিনি পায়রা গ্রামের লুৎফার রহমানের ছেলে। ছ’বিতে দেখা যায়, দুজন ছাত্রী ও ছাত্র তা’স দিয়ে মুখ ঢে’কে ছ’বি তুলে তুলেছেন। ক্যা’পশনে লিখেছেন, ‘শিক্ষক দিবসের বড় উপহার তোদের আগমন। তো’রা না আসলে সত্যিই দিনটি হ’তাশা’য় ডু’বে যেত। ভালোবাসা নি’স প্রাণের টু’করাগুলো।’

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ছ’বি ছ’ড়িয়ে পড়লে তী’ব্র প্রতিক্রি’য়া ব্য’ক্ত করেন সচে’তন মহল। নাজির নামে এক ফেসবুক ব্যব’হারকারী লিখেছেন, ‘পেশার স’ঙ্গে এই মোনাজাত তাও আবার ফেসবুকে আপ’লোড চরম ধৃ’ষ্টতা ও নি’ন্দনী’য়।’ মিঠু মোল্যা নামের অপর একজন লিখেছেন, শিক্ষকের কাছ থেকে এ জাতীয় কর্মকা’ণ্ড আশা করা যায় না।

 

সরেজ’মিনে গিয়ে দেখা যায়, পায়রাবাজার নূরানী মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় চারটি রুম নিয়ে চলছে এই কোচিং সেন্টার। তিনটি ক’ক্ষে পাঠদান হলেও একটি ক’ক্ষে থাকেন ওই শিক্ষক। এর আগেও বিভিন্ন নে’তিবাচ’ক কর্মকা’ণ্ডের কারণে স’মালোচ’নার মুখে পড়েন এই তথাকথিত বাংলা স্যার। সম্প্রতি অবা’ধ যৌ’নাচা’রের ই’ঙ্গিত বহ’নকারী কয়েকটি পো’স্ট শেয়ার করে স’মালো’চনার জন্ম দেন।

 

এলাকাবাসীর অ’ভিযো’গ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষ’কতার আ’ড়ালে তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অ’সামাজিক কর্মকা’ণ্ডে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। তা ছাড়া তাঁর বি’কৃ’ত চিন্তা চে’তনা ছড়িয়ে দিচ্ছে কো’মলমতী শিক্ষার্থীদের মাঝে। অভি’যোগ রয়েছে নানা স্প’র্শকাত’র বিষয়ে লেখালেখি করে আ’লোচনায় আসতে চাচ্ছে এই শিক্ষক। এতে করে যেমন সামাজিক অবক্ষ’য় বাড়ছে তেমনি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মৌলিক শিক্ষা থেকে ব’ঞ্চিত হচ্ছে। তার এমন কর্মকাণ্ড ব’ন্ধে প্রশাস’নের হ’স্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

এ ব্যাপারে কো’চিংয়ের আরেক শিক্ষক আল আমিন মোল্যার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমারও পছন্দ হয়’নি। জানতে চাইলে পায়রাহাট ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম ইকবাল কোনো ম’ন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে ওই কোচিং শিক্ষক রফিক সানি বলেন, ‘আমি ছবি আপলো’ড দিয়ে কোনো অ’ন্যায় করিনি। এরা সবাই আমার সাবেক শিক্ষার্থী।’

 

এ নিয়ে ৩ নম্বর চলিশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সানা আ. মান্নান বলেন, ‘তাঁর এই কা’র্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়, এগুলো আমাদের সমাজ স’মর্থন করে না। পায়রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি। এ ধরনের কাজ সে আগেও করেছে। এগুলো মো’টেও গ্রহণযোগ্য নয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *