আগে কোনো ফুটবল দর্শকের এই অভি’জ্ঞতা হয়নি। আমি সিঙ্গাপুরের স্টেডিয়াম দেখেছি, জার্মানির স্টেডিয়ামে বসে ইউরোপিয়ান কাপের ম্যাচ দেখেছি, লন্ডনের ওয়েম্বলি কিংবা ওল্ড ট্রাফোর্ড দেখেছি, রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়াম, মিউনিখের অলিম্পিক পার্ক স্টেডিয়াম, প্যারিসের স্টাদে দ ফ্রাসে, টোকিওর ইয়োকহামা স্টেডিয়াম কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ার স্টেডিয়ামগুলিতে ঢোকার ছা’ড়পত্র পেয়েছি।

 

কিন্তু কোনোদিন জাহাজের ডেকে বসে ফুটবল ম্যাচ দেখিনি। এবার যাঁরা কাতার বিশ্বকাপে যাবেন তাঁরা ভাগ্যবান। অল ওয়াখারায় অল জানাউব স্টেডিয়ামে তাঁরা এই অভি’জ্ঞতাই পাবেন।

 

কারণ, স্টেডিয়ামের স্থপ’তি জাহা হাদিদ জানাচ্ছেন, এই স্টেডিয়ামটি গড়ার সময় তিনি আরব সাগরের মু’ক্তা স’ন্ধানীদের কথা মাথায় রেখে ট্রাডিশনাল ধউ বোটের আদলে স্টেডিয়ামটি বানিয়েছেন যাতে দর্শকদের মনে হয় তাঁরা জাহাজে বসে ফুটবল দেখছেন।

 

কাতার যখন ২০১০ সালে ২২-এর বিশ্বকাপ সংগঠনের অধি’কার পায় তখন কাতারে মাত্র একটি স্টেডিয়াম ছিল। অল ওয়াখাড়া স্টেডিয়ামটি সং’স্কার করে সেটিকে নতুনভাবে নির্মিত করে নাম দেয়া হয় অল জানাউব।

 

মোট দর্শক বসতে পারেন চল্লিশ হাজার। ২০১৯ সালের ১৬ই মে স্টেডিয়ামটির উদ্বোধ’ন করা হয়। অল জানাউব স্টেডিয়ামটি সর্বাধুনিক ব্যবস্থা সংবলিত।

 

মেট্রো স্টেশনও কাছে। বিশ্বকাপের পর নন-ইভেন্ট ডে তে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য স্টেডিয়ামের গেট খু’লে দেয়া হবে। ফুটবল ম্যাচ দেখা না হোক, টুরিস্টরা জাহাজে না উঠেই জাহাজে ওঠার স্বা’দ নিতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *