রাজনৈ’তিক বা সামাজিক কোনো ম’তাদর্শ প্রদর্শণের ম’ঞ্চ নয় বিশ্বকাপ। সাফ জানিয়ে দিলেন আয়োজক কমিটির প্রধান নাসের আল খাতের। স’মকা’মিতা নিয়ে দেশের আ’ইন পরিব’র্তন না করলেও টুর্নামেন্টের সময় তাদের কোন সম’স্যায় পড়তে হবে না বলেও আশ্ব’স্ত করেছেন তিনি।

 

স্কাই স্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিদেশী শ্রমিকদের অধি’কার নিয়ে ইউরোপিয়ানদের মা’তামা’তির স’মালোচনা করেন তিনি। বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার পর থে’কে পশ্চিমাদের নানা অ’ভিযো’গে বি’দ্ধ কাতার। দেশটির ইসলা’মিক বি’ধিনি’ষেধ নিয়ে পক্ষে-বিপ’ক্ষেও চলছে জোর আ’লোচনা।

 

এরই মধ্যে স’মকা’মী আ’ন্দোলনের প’ক্ষে আর্মব্যা’ন্ড নিয়ে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও ওয়েলস তারকা গ্যারেথ বেল। আর ইউক্রে’নের পক্ষে আর্মব্যান্ড পরবেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। তবে, আয়োজক কমিটির প্রধানের মতে রাজনৈ’তিক ম’ঞ্চ নয় বিশ্বকাপ।

 

কাতার বিশ্বকাপের প্রধান নাসের আল খাতের বলেন, ফুটবল বিশ্বকাপ কোন রাজনৈ’তিক মতাদর্শ প্রদর্শণের ম’ঞ্চ নয়। এটা এমন এক আয়োজন যেখানে মানুষ খেলা উপভো’গ করতে আসে। এখানে রাজ’নৈতিক রং দেয়া ভালো কিছু মনে করি না।

 

কম বিত’র্ক হচ্ছে না শ্রমিক অধি’কার নিয়েও। বিদেশী শ্রমিকদের জন্য তহবিল গঠনের আবদে’ন নিয়ে সরব বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিষয়টি গড়িয়েছে ফিফা পর্যন্ত। তবে ইউরোপিয়া’নদের বাড়াবা’ড়ি পছন্দ হচ্ছে না কাতারের।

 

কাতার বিশ্বকাপের প্রধান বলেন, শ্রমিক অধি’কার নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলে। অথচ এ ব্যাপার নিয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। আমার মনে হয়, এ ব্যাপারে তাদের আরও পড়াশুনা করা উচিত। জানা উচিত, কাতারে আসলে কি হচ্ছে। কাতারের মতো ইসলা’মিক ভূখণ্ডে বিশ্বকাপের সময় প্রকা’শ্য ম’দ্যপা’ন, নারী-পুরুষের অ’ন্তর’ঙ্গতা আর পা’র্টির মতো পশ্চিমা সংস্কৃতি কতটা সহজ হবে। তা নিয়ে আছে ধোঁ’য়াশা।

 

নাসের আল খাতের আরও বলেন, কাতার সব সময় সবার জন্য উ’ন্মুক্ত, সহন’শীল, অতিথিপরায়ন দেশ। বিশ্বকাপের সময় তারা সেরা অভি’জ্ঞতাই পাবেন। কিছুসময়ের জন্য হয়তো এগুলো মেনে নেবো। তবে সবাইকে বলবো এখানকার সংস্কৃ’তির প্রতি সম্মান দেখাতে।

 

যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার দ্বা’রা কারও কোন ক্ষ’তি হবে না। ততক্ষণ চিন্তার কিছু নেই। টুর্নামেন্টের সময় মা’তালদের নির্দিষ্ট জো’নে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নাসের আল খাতের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *