নিষি’দ্ধ ঘো’ষিত জ’ঙ্গি সংগ’ঠন আন’সার আল ইসলা’মের সদস্য মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ওরফে মাওলানা মো. সাইফুল্লাহকে গ্রে’ফতার করেছে অ্যা’ন্টি টে’ররি’জম ইউনিট (এটিইউ)। সাইফুল্লাহ চার বছর কাতারে ছিলেন।

 

কাতারে থাকাকালীন তিনি জ’ঙ্গিবা’দে জ’ড়িয়ে পড়েন। এটিইউ জানায়, ২০১৯ সালে সাইফুল্লাহ বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর তিনি জ’ঙ্গি সংগ’ঠন আন’সার আ’ল ই’সলা’মের কার্যক্রমের স’ঙ্গে সম্পৃ’ক্ত হন।

 

বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে এটিইউ’র পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং) মোহাম্মদ আসলাম খান জা’গো নি’উজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার থেকে নি’ষি’দ্ধ ঘো’ষিত জ’ঙ্গি সংগ’ঠন আন’সার আ’ল ইসলা’মের ও’য়ারেন্টভু’ক্ত পলাত’ক আসা’মিকে গ্রে’ফতার করা হয়।

 

গ্রে’ফতার সাইফুল্লাহ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কাতারে ছিলেন। মূলত ওই সময় থেকেই তিনি জ’ঙ্গিবা’দে জ’ড়িয়ে পড়েন। সেসময় তিনি কাতারে থাকা আরও কিছু বাংলাদেশির স’ঙ্গে এ বিষয়ে সম্পৃ’ক্ত হন।

 

এরপর ২০১৯ সালে সাইফুল্লাহ বাংলাদেশে ফিরে এসে জ’ঙ্গি সংগ’ঠন আন’সার আ’ল ইসলা’মের কার্যক্র’মে যু’ক্ত হন। মোহাম্মদ আসলাম খান জানান, দেশে ফিরে সাইফুল্লাহ ও তার সহযোগীরা রা’ষ্ট্রবিরো’ধী ষ’ড়য’ন্ত্র, জনমনে ত্রা’স, ভী’তি ও জননিরাপ’ত্তা বিপ’ন্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করে আসছিলেন।

 

এ সময় আইনশৃ’ঙ্খলা র’ক্ষাকারী বাহিনী তার কর্মকা’ণ্ডের ব্যাপারে জানতে পারে এবং তাকে গ্রে’ফতারে সচে’ষ্ট হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর সবুজবাগ থানায় সাইফুল্লাহসহ তার সহযোগীদের বি’রু’দ্ধে সিটিটিসি মাম’লা করে।

 

তবে মাম’লা দা’য়েরের আগে থেকেই সাইফুল্লাহ প’লাত’ক ছিলেন। এ মাম’লায় আ’দালত গ্রে’ফতা’রি পরো’য়ানা জা’রি করেন। এরপর অ্যা’ন্টি টেররি’জম ইউনিট তাকে গ্রে’ফতার করে বলেও জানান এটিইউ’র পুলিশ সুপার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *