কাতারের দোহাকে পরি’ষ্কার পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপদানে, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অনেক সি’দ্ধান্ত নিয়েছে কাতার বালাদিয়া।  তার ধারাবাহিকতায় দোহাতে ক্যা’ন্সেল করা হয়েছে অনেক বিল্ডিং যা বর্তমানে সবাই অবগত।

 

সাথে উ’চ্ছেদ করা হয়েছে ব্যাচেলর নিবাস, যার সুবাদে অন্যত্র প্রস্থানে বা’ধ্য হয়েছে দোহাতে বসবাসরত প্রবাসীরা। যদিও ক্যা’ন্সেল অভি’যান এখনো অব্যাহত রয়েছে। যারা এখনো দোহাতে আছেন তাদের প্রতি নির্দেশনা:

 

১। প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে চালাফেরা পরিহার করুন।
২। জট পা’কিয়ে আড্ডা দেয়া এখন সম্পুর্ণ বিপ’দজনক।
৩। মসজিদে বা বাহিরে যাওয়ার সময় লুঙ্গি পরা থেকে বিরত থাকুন। প্যান্ট বা ট্রাউজার পরিধান করুন।

৪। ভিলার সামনে বা রুমের সামনে কিছু না রাখাই ভা’লো এবং ভিলার অভ্যন্তরীণ সব কিছু ক্লিন রাখুন।
৫। বিশেষ করে রান্নাঘর এবং হাম্মাম খানা পরিষ্কার রাখুন।
৬। সেইফটি সুজ এবং কাজের ইউনিফর্ম বিক’ল্প কোথাও রাখার ব্যবস্থা করুন।

৭। যারা সাপ্লাইতে কাজ করেন, তারা কাজে যাতায়াতের সময় একটু পরিষ্কার ও পরিপাটি হয়ে আসা যাওয়া করুন। এবং সেইফটি সুজ এবং কাজের ইউনিফর্ম পরিধান করা থেকে আপতত বিরত থাকুন। কাজে যাওয়ার সময় তা ব্যাগে করে সাথে নিয়ে যান। বালাদিয়ার পক্ষথেকে কেউ আসলে যেন সবকিছু টিকটাক এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেখতে পায়।

 

বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শেষ মুহূ’র্তে কাতার। কাতারের হাতে সময় আছে আর ৩০ দিন। যেখানে খরচ হবে ২ হাজার ২০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

 

গত ৮ বিশ্বকাপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরচ হবে এই আ’সরে। যা রাশিয়া বিশ্বকাপের চেয়ে ২০ গু’ণ বেশি। এই দেশে প্রায় চার লাখের বেশি বাংলাদেশির বসবাস। কেউ নির্মাণ শ্রমিক, অনেকেই আবার বিশ্বকাপের নান্দনিক স্টেডিয়াম তৈরির কা’রিগর।

 

কাতার বিশ্বকাপ বা’জেটের সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে স্থাপনা নির্মাণে। সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা মেট্রো সড়ক, বিমানবন্দর আধুনিকায়নেও বিপু’ল ব্যয় হয়েছে। যেখানে জড়িয়ে বাংলাদেশিদের শ্রম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *