বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রম বাজার ওমান। দেশটিতে প্রায় ৬ লাখের মত বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় কর্মরত আছেন। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় ওমানে বাংলাদেশীদের কদর একটু বেশি থাকায় এর সুফল ভোগ করছেন প্রবাসীরা। যেখানে পার্শ্ববর্তী দেশ সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের মিসকিন বলে কটাক্ষ করা হয়, সেখানে ওমানিদের চিত্র ভিন্ন।

বাংলাদেশীদের বেশ সম্মান করেন ওমানিরা। আর একারণেই মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় ব্যবসা বাণিজ্যে বেশ এগিয়ে আছেন ওমান প্রবাসীরা। বর্তমানে সাড়া বিশ্বে এনআরবি সিআইপির মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ওমানের নাম। সরকার ঘোষিত ৪৭ জন প্রবাসী সিআইপির মধ্যে শুধুমাত্র ওমানেই আছেন ৯ জন সিআইপি।

ওমানে ব্যবসা বাণিজ্যে বাংলাদেশীরা বেশ এগিয়ে থাকলেও ইতিপূর্বে ওমানি মালিক বা স্পন্সর নিয়ে জটিল ইস্যু ছিল। দীর্ঘ পরিশ্রম আর বিনিয়োগের মাধ্যমে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাঁর করানোর পর ওমানি নিজেই সেই ব্যবসা নিয়ে নিতো এমন অভিযোগ ছিলো অনেক ভুক্তভোগীর। সব হারিয়ে শূন্য হাতে দেশেও চলে এসেছেন অনেক প্রবাসী।

কারণ, ইতিপূর্বে নিজের নামে লাইসেন্স করার কোনো সুযোগ ছিলোনা। তবে বর্তমানে কোনো ওমানি স্পন্সর ছাড়াই প্রবাসীদের নিজের নামেই লাইসেন্স করে ব্যবসার সুযোগ দিচ্ছে ওমান সরকার। এতে করে এখন আর ব্যবসায় আগের মত কোনো ঝুঁকি রইলোনা।

এই লাইসেন্স করতে একজন প্রবাসীর খুবই অল্প কিছু ডকুমেন্ট লাগবে এমনটি জানালেন ওমানে এই লাইসেন্স করার সরকারি ভাবে অনুমোদন পেয়েছেন এমন এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। প্রবাসীরা চাইলেই মাত্র ১০৫০ রিয়াল দিয়ে নিজের নামে কোম্পানি খুলতে পারবেন। এই খরচের মধ্যে আবার একটি ইনভেস্টর ভিসাও মিলবে।

যে ভিসা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অনায়েসেই যাতায়াত করা যাবে। এ সুযোগ যেন ওমান প্রবাসীদের জন্য এক সোনার হরিণ! আর এই সোনার হরিণের কাজই করছে ওমানের শেখ ফাহাদ ইনভেস্টমেন্ট। যেকেউ ওমানের ইনভেস্টর ভিসা করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন +968 95626624 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে।

ওমান সরকারের এমন সুযোগের ফলে দেশটিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবেন প্রবাসীরা এবং এতে ব্যবসা বাণিজ্যে আরো প্রসার ঘটবে বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.