বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে নতুন এক মিউজিয়াম উদ্বোধ’ন করেছে আয়োজক দেশ কাতার। যেখানে আছে পেলে, র’জার ফেদেরারদের মতো কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের স্মারকচিহ্ণ। এছাড়াও অলিম্পিক অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়ামটিতে তুলে করা হয়েছে কাতারের ক্রীড়া ইতিহাস।

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে আয়োজক দেশ কাতার নির্মাণ করেছে নতুন নতুন স্টেডিয়ামসহ দর্শনীয় সব স্থাপনা। যার মধ্যে অন্যতম দোহার অলিম্পিক অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়াম। বিশ্বকাপ আয়োজন উপলক্ষ্যে সম্প্রতি নতুন এই মিউজিয়াম উ’ন্মোচন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম সং’লগ্ন মিউজিয়ামটি মূলত ৫ তলা বিশিষ্ট। ১৯ হাজার স্কয়ার মিটারের এই মিউজিয়ামে আছে সাতটি গ্যালারি, একটি গিফট শপ, একটি লাইব্রেরি, একটি রিসার্চ এরিয়া এবং ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যাবে এমন একটি অডিটরিয়াম।

ফুটবল কিংবদ’ন্তি পেলে এবং টেনিস তারকা রজার ফেদেরার থেকে শুরু করে অনেক তারকাদের স্মৃ’তিস্মারক দেখার সুযোগ আছে এই মিউজিয়ামে। এছাড়াও কাতারের অলিম্পিক ইতিহাসের অনেক নিদর্শনও ঠাঁ’ই পেয়েছে মিউজিয়ামটির গ্যালারিতে। মূলত কাতার যে ক্রী’ড়া বান্ধব তা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এমন আয়োজন।

কাতার অলিম্পিক এন্ড স্পোর্টস মিউজিয়ামের পরিচালক আবদুল্লা ইউসুফ আল মুল্লা বলেন, কাতার এখন পর্যন্ত খেলার অনেক বড় বড় ইভে’ন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে। একক ও যৌথভাবে আনুমানিক ৫০০ প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছি আমরা। ইভেন্টগুলোর স’ঙ্গে অনেক স্মৃতি জ’ড়িয়ে আছে।

যা আমরা সংগ্রহ করেছি এবং এই মিউজিয়ামের মাধ্যমে এক ছাদের নিচে সব নিয়ে এসেছি। যেনো সবাই দেখার সুযো’গ পান এবং কাতার যে ক্রীড়াপ্রেমী একটা দেশ সে সম্প’র্কে জানেন। খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে যেদিন খেলা চলবে সেদিন ছাড়া, সবসময় খোলা থাকবে মিউজিয়ামটি। পর্যটকদের প্রবেশ করতে খরচ হবে ১৫ ইউএস ডলার।

মিউজিয়ামটি পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০২৩ এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যদিও উদ্বোধনের পর সীমিত সংখ্যক দর্শক ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছেন মিউজিয়ামটি। সৌদি আরবের পর্যটক খালেদ ওয়েহবি বলেন, এই জাদুঘর এতটা সুন্দর আর প’রিপাটি হবে, তা সত্যি বলতে কল্পনাও করিনি। আমরা আসলেই বিস্মিত।

এ খানকার সুযোগ-সুবিধা, স্টাফদের ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সব কিছুই মু’গ্ধ করেছে। জাদুঘরটায় সব কিছুই অনেক সুন্দরভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রত্যাশার চাইতেও অনেক বেশি মনে হয়েছে আমাদের। কাতারের এই অলিম্পিক অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়ামকে বিশ্বের বৃহত্তম স্পোর্টস মিউজিয়ামগুলোর একটি বলে দাবি আয়োজক দেশটির।

Leave a Reply

Your email address will not be published.