দরজায় ক’ড়া না’ড়ছে বহুল প্রতীক্ষিত ফুটবল বিশ্বকাপ। আগামী ২০ নভেম্বরে পর্দা উঠছে বিশ্ব ফুটবলের এ মহায’জ্ঞের। তার আগে অভা’বনীয় সুখবর ফুটবলপ্রেমীদের জন্য। কাতার বিশ্বকাপ দেখা যাবে টিকিট ছা’ড়াই।

 

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) ফিফা ফুটবল বিশ্বকা’পের আয়োজকরা জানিয়েছেন, যারা বিদেশ থেকে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে আসবেন, তাদের কাছে টিকিট থাকা বা’ধ্যতামূলক নয়। শুধু তাই নয়, আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে টিকিট ছা’ড়াই সমর্থকরা খেলা দেখার সুযোগ পাবেন।

 

তবে সেক্ষে’ত্রে সমর্থকদের অবশ্যই একটি হা’য়া কার্ড বানাতে হবে। এটি টুর্নামেন্ট আইডে’ন্টিফিকেশন ডকুমে’ন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এই কার্ডটি থাকলে টি’কিটের প্রয়োজন হবে না সমর্থকদের।

 

এক অনুষ্ঠানে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাবর হামুদ জাবর আল নুয়াইমি জানান, কাতারের টিকিটবিহীন ভ’ক্তরা ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের পর কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন। টিকিটবিহী’ন ভ’ক্তরা বৃহস্পতিবার থেকেই তালিকাভু’ক্ত প্রয়োজনীয়তা অনুসারে হায়া প্ল্যাটফর্ম বা হায়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কাতারে প্রবেশের জন্য তাদের হায়া কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

 

প্রথমবারের মতো ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের আয়োজক হয়ে’ছে কাতার। সাজ সাজ রবে মু’খরিত মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। বিশ্বকাপে বিদেশ থেকে এক দশমিক দুই মি’লিয়ানের কাছাকাছি স’মর্থক খেলা দেখতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপ ঘিরে সব চেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে বাসস্থা’নের।

 

হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, ক্রুজ শি’প এবং ক্যা’ম্পসাইটের। গ্রুপ স্টেজের ম্যাচগুলো টিকিটের চা’হিদা সব চেয়ে বেশি। সমর্থকদের অনুরো’ধ করা হয়েছে, কাতারের প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকতে। সেখান থেকেই খেলা দেখার জন্য যাতায়াত করতে বলা হয়েছে।

 

তবে ছোট শহরে চা’প কম পড়বে। যখন ৩২টির মধ্যে মাত্র ১৬টি দেশের খেলা পড়বে, তখন এই চা’প খা’নিক কমতে পারে। বিশ্বকাপের এই নক আউ’ট পর্ব শুরু হবে ৩ ডিসেম্বর থেকে। ফাইনাল ১৮ ডিসেম্বর। সুইজারল্যান্ডের পরে কাতারই হয়ত একমাত্র ক্ষু’দ্রতম দেশ, যেখানে বিশ্বকাপ আয়োজন হচ্ছে। দোহার আটটি স্টেডিয়ামে বাস এবং মেট্রো করে পৌঁছানো যাবে।

 

এছাড়াও, কাতার এয়ারওয়েজ এরইমধ্যে নিজেদের গ্রা’হকদের জন্যে বিমান পরিষেবা থেকে হোটেল, টিকিট সব কিছু’রই ব্যবস্থা করছে। অন্যদিকে, দুবাই শহরও বিশ্বকাপের প্র’স্তুতি নিতে শুরু করেছে।

 

ফ্লাই দুবাইও এরইমধ্যে ঘোষণা করেছে প্রতিদিন দুবাই থেকে দোহার ৩০টা বিমান চলাচল করবে। যাত্রীরা গিয়ে পৌঁ’ছাবেন দোহার সুবিশাল হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। ২০১৪ সালে ১৫ মি’লিয়ন ডলার ব্যয় করে বানানো হয় এই বিমানবন্দরটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *