কাতার বিশ্বকাপে অন্যতম আক’র্ষণের নাম আল থুমামা স্টেডিয়াম। দেশটির ঐতিহ্যবাহী টু’পি গাহফিয়া’র আদলে তৈরি করা হয়েছে এটি। আধুনিক সকল সুবিধার পাশাপাশি এখানে বিশেষ চাহিদাস’ম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।

 

৪০ হাজার দর্শক ধারণক্ষ’মতার স্টেডিয়ামটিতে প্রাধান্য পেয়েছে পরিবে’শগত দিকগুলো। দোহার চায় বিশ্বকাপ ভে’ন্যুর একটি এই আল থুমামা স্টেডিয়াম। আয়োজক হিসেবে ২০২২ বিশ্বকাপের নাম ঘোষণার পরই নড়েচ’ড়ে বসে কাতার।

 

ম’রুর বুকে সারা বিশ্বকে তাক লাগাতে একের পর এক চম’ক দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। স্টেডিয়ামগুলোর নির্মাণে নজর আটকে যাচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের। আট স্টে’ডিয়ামের মধ্যে আলাদাভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আল থুমামা স্টেডিয়াম।

 

কাতারের ঐতিহ্যবাহী টু’পি গাহফিয়া’র আদলে তৈরি করা হয়েছে স্টেডিয়ামটি। রাজধানী দোহা থেকে ১২ কিলোমিটার দ’ক্ষিণে এটির অবস্থান। আধুনিক কোনো সুবিধারই কমতি নেই আল থুমামা স্টেডিয়ামে। ৪০ হাজার দর্শক ধারণক্ষ’মতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামে থাকছে সকল আধুনিক সুযোগ সুবিধা।

 

আছে বিশেষ চাহিদা স’ম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে বসার ব্যব’স্থা। ডিজাইন ছাড়াও পরিবেশগত ও স্থাপত্যের গু’রুত্ব প্রধান্য পেয়েছে এখানে। স্টেডিয়ামের পাশজুড়ে তৈরি করা হয়েছে ৫০ হাজার বর্গমিটারের একটি পা’র্ক। পার্কের সিংহভা’গই সাজানো হয়েছে বিভিন্ন প্র’জাতির গাছ দিয়ে।

 

আর স্টেডিয়াম পরিচর্যার জন্য অতিরিক্ত ৪০ ভাগ পানি ম’জুদ রয়েছে এখানে। কাতারের আল জাবের ইঞ্জিনিয়ারিং ও তুরস্কের টেকফেন কনস্ট্রাক’শনের যৌথ উদ্যোগে স্টেডিয়ামটি তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে সবমি’লিয়ে আটটি ম্যাচ গড়াবে এ স্টেডিয়ামে। এরমধ্যে গ্রুপ পর্বের ৬টি সহ অনুষ্ঠিত হবে রাউ’ন্ড অব সিক্সটিন ও কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *