কাতারে কোনো নদী নেই। বার্ষিক বৃষ্টিপা’তের পরিমাণও খুবই সামান্য। তাহলে খাবার ও কৃ’ষিকাজসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য পানি কো’থা থেকে আসে? কাতারের চাহিদার প্রায় ৬’০% পানি আসে সাগর থেকে।

 

এর মধ্যে খাবার পানিও রয়েছে। আর বাকিটা ভূগর্ভ’স্থ পানি। এই পানি সাধারণত কৃ’ষিকাজে ব্যবহার করা হয়। সাগরের পানিকে পানের জন্য যো’গ্য করতে রিভার্স অসমো’সিস প’দ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তারপর সেই পানিকে ডি’স্যালি’নেশন বা বিলব’ণীকরণ করা হয়, অর্থাৎ সাগরের পানি ল’বণমু’ক্ত করা হয়।

 

কাতার ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে এভাবে পানি লব’ণমু’ক্ত করা হয়। ইস’রায়ে’লেও এই প’দ্ধতি চালু রয়েছে। জাতিসং’ঘের হিসেবে বিশ্বে পানি ল’বণমু’ক্ত করার প্রায় ১৬ হাজার প্ল্যা’ন্ট আছে।

 

পানি লবণমু’ক্ত করতে অনেক জীবা’শ্ম জ্বা’লানির প্রয়োজন হয়। কোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০১৯ সালে জানিয়েছিলেন, এক হাজার লিটার পানি লব’ণমু’ক্ত করতে সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার কিলোওয়াট ঘণ্টা বি’দ্যুতের প্রয়োজন হয়। যুক্তরাষ্ট্রে একটি রেফ্রিজা’রেটর চালাতে দিনে প্রায় চা’র কিলোওয়াট ঘণ্টা বি’দ্যুতের প্রয়োজন হয়।

 

এছাড়া আরও একটি সম’স্যা আছে। পানি লবণমু’ক্ত করার পর যে ব’র্জ্য থাকে সেগুলো প্রায়ই সাগরে ফেলা হয়, যা সিউইড, কোরাল রিফ ও সিগ্রাসের জন্য ক্ষ’তিকর। তবে কিছু প্ল্যান্ট এসব ব’র্জ্য ভূগ’র্ভে পুঁতে ফেলে। বিশ্বকাপ উপল’ক্ষ্যে কাতারে পানির চাহিদা ১০% বাড়তে পারে।

 

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে সেই দেশে যাওয়া প্রায় ১২ লাখ সম’র্থক ও মাঠের ঘাস পরিচর্যা করতে এই পানি প্রয়োজন। কাতার ও ফিফা অ’ঙ্গীকার করেছে, বিশ্বকাপের আয়োজন জ’লবায়ু’র উপর কোনো প্র’ভাব ফেলবে না। আয়োজকরা জানিয়েছে, আট স্টেডিয়ামের ট’য়লে’টে এবং স্টে’ডিয়াম ধু’লামু’ক্ত রাখতে রিসা’ইকেল করা পানি ব্যবহার করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *