কাতারের বিভিন্ন শহরে অব’স্থিত আটটি স্টেডিয়াম সম্পূর্ণভাবে শীতাতপ নিয়’ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ একটি কুলিং সিস্টেমের মাধ্যমে এই কুলিং মেশিন তৈরি করেছেন কাতারের ডক্টর কুল খ্যাত ই’ঞ্জিনিয়ার সৌদ ঘানি।

 

এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শুধু তাপমাত্রা নি’য়ন্ত্রণ করাই নয়, বায়ু পরিশুদ্ধ করাও সম্ভব বলে জানান তিনি। মরুর বু’কে ফুটবল বিশ্বকাপ। তীব্র উ’ত্তাপের বিষয়টি নিশ্চয়ই ভাবাবে যে কাউকে। কাতার বিশ্বকাপের জন্য তৈরি করা হয়েছে আটটি নান্দনিক স্টেডিয়াম।

 

যে স্টেডিয়ামগুলো সম্পূ’র্ণভাবে এয়ার কন্ডিশ’নিং সিস্টেমের আওতাভুক্ত। একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঠান্ডা বাতা’সের বাবল স্টোর করে স্টেডিয়ামগুলো শী’তল রাখা হয়। কাতারের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ার সৌদ ঘানি বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলোতে শীতাতপ নি’য়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল কাজ করেছেন।

 

ঘানি কাতারে ডক্টর কুল নামেও পরিচিত। প্রযুক্তির সর্বো’চ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ কু’লিং সিস্টেম চালু করেছেন তিনি।একজন মানুষের শরীর থেকে দুটি ল্যাপট’পের সমপরিমাণ তাপ নিঃ’সৃত হয়। স্টেডিয়ামগুলোতে প্রায় চল্লিশ হাজার দর্শক ধারণক্ষ’মতা রয়েছে।

 

এত মানুষের এক’ত্রিত হওয়ার ফলে সেখানে যে পরিমাণ তাপ উ’ৎপন্ন হবে তাতে মানুষের অবস্থানের অ’যোগ্য হয়ে পড়ার আশ’ঙ্কা রয়েছে। দর্শকদের স্ব’স্তির কথা মাথায় রেখে স্টেডিয়াম কুলিং সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছেন ঘানি। কীভাবে কাজ করে ঘানির এই কুলিং সিস্টেম?

 

স্টেডিয়ামে দর্শকদের আসনের নিচে একটি নজেল রয়েছে, যেই নজেলের মাধ্যমে স্টেডিয়ামের তা’প কুলিং মেশিনের মধ্যে প্রবা’হিত হয়। এরপর গরম তাপ কুলিং মেশিনের মাধ্যমে শীতল করে স্টেডিয়ামের পিচের পাশে বিদ্যমান ন’লের মাধ্যমে নিঃ’সৃত হয়ে শীতল করে।

 

বিশ্বকাপের আট স্টেডিয়ামের সামনে এই কু’লিং প্রজেক্টের ত্রিমাত্রিক মডেল প্রদর্শনেরও ব্যবস্থা রয়েছে। ভে’ন্টিলেশনের এই অ’ভিনব পদ্ধতির জন্য ঘানি জনপ্রিয় একজন ইঞ্জিয়ার কাতারের।

 

তিনি এসব নিয়ে বলেন, ‘এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা শুধু স্টেডিয়াম ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করিনি। উ’ত্তপ্ত বাতাসের তাপমাত্রা কমিয়ে পরিশু’দ্ধ করে তা রিসাইকেল করা হয়। তাই এই কুলিং সিস্টেমের মাধ্যমে শুধু যে ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যা তা নয়, এর মাধ্যমে বায়ুদূষণও রো’ধ করা সম্ভব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *