বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহের জন্য সব সিট বু’কিং হয়ে গেছে বলে বলে জানিয়েছে এমএসসি ক্রুজ গ্রুপ। দোহা বন্দরে রাখা তিনটি ভাসমান হোটেলের প্রথম সপ্তাহে আর কোনো রুম খালি নেই বলে জানানো হয়েছে।

 

এমএসসি ক্রু’জ গ্রুপের অনুমান অনুসারে তিনটি ক্রুজ জাহাজের ক্ষম’তা ১০ হাজার শয্যায় পৌঁছেছে। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহে আর কোনো রুম খালি নেই। ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২২ দর্শকদের রা’তযাপনের জন্য বেশ কয়েকটি ভাসমান হোটেলের ব্যবস্থা করেছে কাতার।

 

একেকটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীকে নতুন করে সাজিয়ে তৈরি হয়েছে এসব হোটেল। আগেই দোহা বন্দরে পৌঁছেছিল এমএসসি ওয়ার্ল্ড ইউরোপা নামে একটি বিশাল প্রমোদতরী। গত সোমবার পৌঁছেছে দ্বিতীয়টি। এরপর এবার এমএসসি অপেরা নামের তৃতীয় প্রমোদতরীটি দোহায় এসেছে।

 

কাতার ট্যুরিজমের চেয়ারম্যান এবং কাতার এয়ারওয়েজ গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ এইচই আকবর আল বাকের গতকাল বিবৃতিতে বলেন, অত্যাধুনিক এই ক্রুজ শি’পটি হবে চার তারকা মানের ভাসমান হোটেল। এতে রয়েছে কেবিনে বসে সমুদ্র দেখার সুযোগ। থাকছে সুস’জ্জিত ব্যালকনি, বিলাসবহুল স্যুট, খাবারের জন্য একাধিক ডাইনিংসহ নানা ধরনের অনু’ষ্ঠান এবং সব বয়সের মানুষের জন্য বিনোদনের সুব্যবস্থা।

 

এমএসসি অপেরা হলো একটি আধুনিক ভাসমান হোটেল যা বিশ্বকাপ দেখতে আসা অনুরা’গীদের জন্য বিলাসবহুল পরিষেবা প্রদান করবে। এই প্রমোদতরীটি ২৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৩২ মিটার প্রস্থে, ১৩-ডেক এমএসসি অপেরায় ১ হাজার ৭৫টি রুমসহ প্রায় দুই হাজার ৬৭৯ জন লোককে সেবা দিতে পারে।

 

বিশ্বকাপ উপল’ক্ষে পাঠানো তিন’টি ক্রুজ শিপের মালিক এমএসসি গ্রুপ জানিয়েছে, তাদের প্রতিটি জাহাজের ধারণ’ক্ষ’মতা অন্তত ১০ হাজার বেড এবং বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহের জন্য এগুলোর রিজার্ভেশন শতভাগ পূরণ হয়ে গেছে।

 

কাতার কর্তৃপ’ক্ষ জানিয়েছে, ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই কাতারে থাকার জায়গা না পেলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান বা ইরানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিক’ল্প হিসেবে বেছে নেবেন। সেক্ষে’ত্রে তারা ফুটবল ম্যাচ দেখেই যেন ফিরে যেতে পারেন, সেজন্য ‘শাট’ল’ ফ্লাইটের ব্যবস্থা আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *