এক যুগের প্র’স্তুতিতে অবকাঠামোর দিক দিয়ে দারুণ করেছে কাতার। বিশ্বকাপ আয়োজনের প্র’স্তুতিতে তারা লেটার মার্কসের চেয়েও বেশি পাওয়ার দাবিদার। কিন্তু মাঠের ফুটবলে পারফরম্যান্সের প্রশ্ন আসলেই ভাবতে হচ্ছে অনেক কিছু।

 

আয়োজক হিসেবে তারা প্রথমবার সুযোগ পেয়েছে বিশ্বকাপে খেলার। এটা কেবল সুযোগ পাওয়ার জন্য পাওয়া নয়, এবার ময়দানি ল’ড়াই দেখানোর পালা। এ লড়াই যে মর্যাদার ল’ড়াই, নিজেদের ফুটবলের উন্নতি বিশ্বকে দেখানোর ল’ড়াই।

 

কেবল প্রিয় দল আর প্রিয় তারকার খেলা উপভোগে সী’মাব’দ্ধ থাকছে না মাশরাফির এবারের বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে প্রতিটি ম্যাচের ফলের ভ’বিষ্যদ্বা’ণী করেছেন তিনি। তিনি জানালেন, কাতার দলটা আমি কখনো ফ’লো করিনি। খুব একটা জানা নেই। তবে ওরা স্বা’গতিক আবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। তাই আমি ওদেরকেই এগিয়ে রাখ’ব। তবে ইকুয়েডরও ভালো দল। ল’ড়াই হবে।

 

বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বিশ্বকাপের উ’দ্বোধ’নী ম্যাচে ইকুয়েডরের মু’খোমু’খি হবে কাতার। যা সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টসে। অবশ্য এই ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল না। ২১ নভেম্বর সেনেগাল ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচের ম’ধ্য দিয়ে শুরু হওয়ার কথা ছিল বিশ্বকাপ।

 

কিন্তু কাতার ফিফার কাছে আবে’দন করে উদ্বোধ’নী ম্যাচটি যাতে তাদের খেলতে দেওয়া হয়। সেই আবেদনে সা’ড়া দেয় ফিফা। তাতে বিশ্বকাপ এগিয়ে আসে একদিন অর্থাৎ ২০ নভেম্বর। তাতে অবশ্য বিশ্বকাপের ঐতিহ্যও র’ক্ষা হয়।

 

নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলে হয় আয়োজক দেশ, না হয় বর্তমান চ্যা’ম্পিয়ন। এ যাত্রায়ও সফল হয় কাতার। এবার তাদের মাঠে সফল হওয়ার পালা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *