জেলেদের দেশ হিসেবে পরিচিত ছিলো কাতার, বদলে গেছে রকেটের গতিতে

পারস্য উপসাগরের কোলে কু’চকে একটি এলাকা। ১৯৯০ সালে প্রকৃ’তিক গ্যাস স’ন্ধানের আগ পর্যন্ত ধুলো অ’ধ্যুষিত মু’ক্তার বন্দর আর জে’লেদের দেশ হিসেবেই যার পরিচয়। এরপর র’কেটের গতিতে দেশটি রূ’পান্তরিত হয়েছে আধুনিক দেশে।

 

এমন অভাবনীয় সাফল্য লা’ভকারী দেশটির নাম কাতার। আরবের বু’কে ফুটবলের জো’য়ার নিয়ে এসেছে রাতারাতি ধ’নী দেশে পরিণত হয়ে যাওয়া কাতার। পেট্রোড’লার খরচ করে প্রথমবারের মতো আরব দেশগুলোর মধ্যে নিজেদের মাটিতে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করছে দেশটি।

 

আর এই এক বিশ্বকাপের পেছনে কোটি কোটি ড’লার খরচ ক’রেছে কাতার। এই বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে খরচ করা সকল অ’র্থ আবার উ’ঠিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে আরব দেশটির। এবারের বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে ২২তম বারের মতো মাঠে গ’ড়াচ্ছে ফুটবলের এই ম’হায’জ্ঞ। সফলভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পার’লেই শূন্য থেকে শিখরে উঠে যাবে কাতার, এমনটাই ধারণা করা যায়।

 

সার্বিয়ার ফুটবল ভ’ক্ত আলেকসা’ন্দার মাহদিক বলেন, ‘আমি খুব উ’ত্তেজি’ত, আজকের দোহা ছয় বছর আগের মতো নেই। সেখানে অনেক নি’র্মাণ কাজ হয়েছে। মেট্রোর পাশাপাশি গাড়ি চা’লানোর জন্য রাস্তাগুলো অনেক ভালো। দুই বছর আগে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের সময় আমি যে কয়টি স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম সেগুলো দেখতে সুন্দর।

 

আমি এই বিষয়ে সত্যিই উ’ত্তেজি’ত এবং এই সম’স্ত লোককে এখানে আসতে দেখে সত্যিই রো’মাঞ্চি’ত। এটি এখানে একটি ম’জার মাস হতে চলেছে। কাতারে বসবাসকারী উরুগুয়ের নাগরিক নাতালিয়া বলেন, ‘আমরা এতদিন ধরে এগুলোর জন্য অপে’ক্ষা করছিলাম। আমি এখানে ৯ বছর আছি এবং আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে, বিশ্বকাপ চলে এসেছে। প্রস্তুতি দারুণ।

 

আমি মনে করি কাতার অবশেষে বিশ্বকা’পের জন্য সবকিছু প্রস্তুত করতে সক্ষ’ম হয়েছে। আমি স্প’ষ্টভাবে উ’রুগুয়ের স’মর্থন করি। যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার রেবেকাইরা ডিকারসন বলেন, ‘সবকিছু উ’ত্তেজ’নাপূর্ণ, আবহ আশ্চ’র্যজনক। বিশ্বকাপ শুরু হওয়া পর্যন্ত সবাই অপে’ক্ষা করতে পারছে না।

 

এই বিশাল আন্তর্জাতিক ইভেন্টটি দেখতে আমাদের কাছে সারা বিশ্ব থেকে মানুষ আসছে। বিশ্বকাপ ঘি’রে শূণ্য থেকে সবকিছু প্র’স্তুত করছে কাতার। আপনি এটা ভালোবাসতে যাচ্ছেন।

 

আমি সবাইকে বলব কাতারে আসতে, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আসতে উৎসা’হিত করছি। আপনারা এটা পছন্দ করবেন। ইসলামী ঐতিহ্য ও বেদু’ইন শিখর ধারনকারী কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজনের ভিন্ন আয়োজন দেখতে এখন মু’খিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *