প্রায় এক যুগ আগে কাতার যখন ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের স্ব’ত্ব পেলে তখন সারা দুনিয়া জুড়ে শো’রগো’ল উঠেছিল। কাতারে না আছে ফুটবল ঐ’তিহ্য, না আছে বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো অবকা’ঠামো বা বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া দর্শকদের চাহিদা মে’টানোর সা’মর্থ। তার চেয়েও বড় কথা মধ্যপ্রাচ্যের মতো তী’ব্র দা’বদা’হে ফুটবল বিশ্বকাপ হতে পরে নাকি!

 

বিভিন্ন চ’ড়াই উৎ’ড়াই পেরিয়ে সেই কাতারেই আজ শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। প্রায় এক যুগের চে’ষ্টায় অবকাঠামোর দুর্দা’ন্ত উন্নতি করেছে কাতার। অবশ্য কাতারের আয়োজন নিয়ে আজ অব’ধি প্রশ্ন উঠছে। তবে শুধু সেসব নিয়েই ভা’বার সময় কাতারিদের। আজ না’মতে হচ্ছে যে মাঠের লড়াইয়ে। বিশ্বকাপের উদ্বোধ’নী ম্যাচে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হচ্ছে কাতার। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটি মাঠে গ’ড়াবে আল খোর শহরের আল বায়ত স্টেডিয়ামে।

 

৮০তম দল হিসেবে এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে কাতার। সেটাও স্বাগ’তিক হওয়ার সুবাদে। তবে সম্প্র’তি সময়ে দারুণ ফর্মে আছে কাতার। এশিয়ার বর্তমান চ্যা’ম্পিয়ন কাতার। সর্বশেষ ফিফা আরব কাপে তৃ’তীয় হয়েছে তারা। সর্বশেষ পাঁচটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের পাঁচটিতই জিতেছে কাতার। গোল করেছে ৮টি, বিপরীতে হজ’ম করেছে মাত্র ২টি।

 

দলে চো’ট সম’স্যা নেই। তাছাড়া ৮০ হাজার ধারনক্ষ’মতায় পূর্ণ গ্যালারিও প’ক্ষে পাবে কাতার। দলটির অর একটা সুবি’ধা আছে। দলের ১৫ জনই স্বদেশি ক্লাব আল-সাদের ফুটবলার। ফলে নিজেদের মধ্যে বু’ঝাপ’ড়াটা দারুণ। পরিসংখ্যা’নে নজর দিলেও স্ব’স্তি পাবে কাতার। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র একবার দ্বিতীয় পর্বে উঠতে ব্য’র্থ হয়েছে স্বাগতিক দল। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত স্বাগতিক দল কখনোই উ’দ্বোধনী ম্যাচ হা’রেনি।

 

বুঝাই যাচ্ছে- স্বাগতিকদের হা’রানো সহজ কাজ নয়। কাতারের কোচ ফে’লিক্স সানচেজের কথাতেও ফুটে উঠল সেই আ’ত্মবি’শ্বাস, ‘বলছি না, আমরা বিশ্বকাপ জিতব। তবে আমরা বিশ্বমানের খেলা উপ’হার দেব, এটুকু নি’শ্চয়তা দিতে পারি।’ ইকুয়েডর এবার বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে চতুর্থবারের মতো। দক্ষিণ আমেরিকার দলটি চিলি, কলম্বিয়া, পেরুর মতো দলগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের টিকিট নি’শ্চিত করেছে। তারুণ্যে ভরা দল’টির গতি ও ক্ষী’প্রতা দারুণ।

 

প্রতি-আ’ক্রম’ণে ইকুয়েডর বেশ ভ’য়ঙ্ক’র। গ্রুপের অন্য দুই দল নেদারল্যান্ডস ও সেনেগাল শ’ক্তির বি’চারে এগিয়ে। ফলে নিশ্চিয় পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিতে কাতারকেই টা’র্গেট করছে ইকুয়েডর। অবশ্য ইংলিশ ক্লাব ব্রাইটনে খেলা ইকুয়েডরের ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো বললেন তাদের ভালো করেই জানা যাছে কাতারের বিপ’ক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেওয়ার কাজটা সহজ নয়।

 

কাইসেদো বলেন, ‘ওরা নিজেদের মাঠে সবার সমর্থন পাবে। আমাদের কঠিন চ্যা’লেঞ্জের মু’খে পড়তে হবে। তবে জানি, ওরা কোন কৌশ’লে খেলে। ওদের মতো আমাদেরও সমান সুযোগ আছে।’ আর্জেন্টাইন কোচ গুস্তাফো আলফারো ইকুয়েডরকে স্বাধারনত ৪-৪২ ছকে খেলিয়ে থাকেন। তাতে গোল করার কাজটা দলের প্রা’ণভো’মরা এনার ভ্যা’লেন্সি’য়ার। তার পেছনে থাকেন ২১ বছর বয়সী মিডফি’ল্ডার মোইসেস কাইসেদোর। এই দুজনের ওপরই বেশি ভরসা ইকুয়েডরের। কাতারও নিশ্চয় বাড়তি নজর রাখবে এই দুজনের ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *