দাদার হাত ধরে মঙ্গলবার মক্তবের উ’দ্দেশে বের হয় পাঁচ বছরের মোছা. আয়াত। নাতনিকে মসজিদের উদ্দে’শে পাঠিয়ে দোকানে যান দাদা। এরপর থেকেই নি’খোঁজ হয়ে যায় শিশুটি। চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকা থেকে নি’খোঁজ ৫ বছর বয়সী আয়াতকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা’র প’র ম’র’দেহ ছয় টু’করা করে নদীতে ফে’লে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় আবির আলী (১৯) নামের এক যুবককে গ্রে’প্তা’রের কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা। আবি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

 

সে আ’য়াতের দাদা বাড়ির সাবেক ভা’ড়াটিয়া। নগরের আকমল আলী সড়কে মায়ের স’ঙ্গে থাকেন। নাঈমা সুলতানা বলেন, ‘আয়াতকে অ’পহ’রণ করে তাদের সাবেক ভাড়াটি’য়া আবির আলী। সি’সিটি’ভি ফু’টেজ পর্যালোচনা করে তাকে’বৃ হস্পতিবার রাত ১১টার দিকে আকমল আলী সড়ক থেকে আ’টক করা হয়। সে হ’ত্যা’র কথা স্বী’কার করেছে। ’

 

তিনি আরও বলেন, ‘মু’ক্তিপ’ণের উদ্দেশ্যে ঘটনার দিন বিকেলে আয়াতকে সে অ’পহর’ণের চেষ্টা করে। এ সময় চিৎ’কার করলে তাকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা করে সে। পরে ম’রদে’হ আকমল আলী সড়কের বাসায় নিয়ে ছয় টু’করা করে।

 

খ’ণ্ডিত ম’রদে’হ দুটি ব্যাগে নিয়ে বে’ড়িবাঁ’ধ এলাকায় নদীতে ফেলে দেয়। সেসব আমরা উ’দ্ধা’রের চেষ্টা করছি, তবে ম’রদে’হ টু’করা করার কাজে ব্যবহার করা বঁ’টি ও অ্যা’ন্টি কা’টার উ’দ্ধার করা হয়েছে। ’

 

সন্তানকে না পেয়ে নাওয়া-খাওয়া ছে’ড়ে দিয়েছিলেন বাবা সোহেল রানা ও মা তামান্না খাতুন। তাঁরা আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, থানা-পুলিশ ও হাসপাতাল ঘু’রছেন। এলাকায় মাই’কিং ও পো’স্টার লাগানো হয়েছে।

 

আয়াতের স’ন্ধান দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছিল পরিবার। ইপিজেড থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে শিশুটি নি’খোঁজ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *