কাতারের সবকিছুতে নতুনত্ব এলেও আসেনি ফুটবলে, বিদায় নিলো শূন্য হাতে

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের অবকা’ঠামো আমূল বদলে দিয়েছে কাতার। রাস্তাঘাট-মেট্রোরেল থেকে শুরু করে স্টেডিয়াম-হোটেলসহ সবকিছুতেই এসেছে নতুনত্ব। যেন বিশ্বকাপের ২২তম আসর আয়োজনে কোনও ক’মতি না থাকে। এক অ’র্থে এখন পর্যন্ত আয়োজনের দি’ক দিয়ে বড় কোনও সম’স্যা রাখছে না।

 

আয়োজনের পাশাপাশি কাতার চেয়েছিল নিজেদের দ’লকেও শা’নিত করতে। যেন বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলার সুযো’গ পেয়ে নিজেদের দেশে স্ম’রণীয় কিছু করতে পারে। কিন্তু আয়োজনে লেটার মা’র্ক পেলেও মাঠের খেলাতে স্বাগতিকদের যে একেবারেই শূন্য হাতে বিদা’য় নিতে হয়েছে। আগেই তাদের গ্রুপ পর্ব থেকে বি’দায় নি’শ্চিত হয়েছিল।

 

ডাচদের বিপ’ক্ষে শেষ ম্যাচে কিছু করে দে’খানোর ইচ্ছা থাকলেও আদতে মাঠের পারফরম্যা’ন্সে তা হয়নি। টানা তিনটি ম্যাচ হেরে কাতারের করু’ণ বি’দায় হয়েছে! বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অবকাঠামোর দিকে জো’র দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের দলটির দিকেও ক’ম গুরু’ত্ব দেওয়া হয়নি।

 

২০১৭ সাল থেকে স্প্যানিশ কোচ ফে’লিক্স সানচেজের অধীনে দলকে নানানভাবে অভি’জ্ঞ করে তোলার চে’ষ্টা করা হয়েছে। ২০১৯ সালে তো এশিয়ান কাপ চ্যা’ম্পিয়ন হয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল। এরপরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রা’ন্তে একের পর এক টুর্নামেন্ট বা ম্যাচ খে’লে হয়েছে ঋ’দ্ধ। কিন্তু আসল জায়গায় এসে কাতার পুরোপুরি ধ’রাশা’য়ী। কাজে লাগেনি তাদের দলের প্রতি বিনিয়ো’গও।

 

নিজেদের গ্রুপে কোনও ম্যাচ তো জেতা দূ’রের কথা ড্র-ও করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। গ্রুপে ইকুয়েডরের কাছে ২-০, সেনেগালের কাছে ৩-১ ও নেদারল্যান্ডসের কাছে ২-০ গোলে হারের তি’ক্ত স্বা’দ নিয়েছে। এশিয়াতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ হচ্ছে। এর আগে ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কো’রিয়াতে হয়েছিল। স্বাগতিক দেশ হিসেবে জাপান ও কোরিয়া দুদে’শই নক আ’উট পর্বে খেলেছে। এর মধ্যে কোরিয়া তো ফাইনালের দরজায় ক’ড়া নেড়েছিল।

 

এবার ২০ বছর পর এশি’য়াতে চলছে বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো মরুর বু’কে। কাতার আয়োজনে কমতি না রাখলেও তাদের খেলার পারফ’ম্যান্সে যে সেভাবে মন ভরাতে পারেনি। স্বাগতিক হয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলে কোথায় অ’ঘট’ন ঘটাবে কিংবা কিছু ইতিবা’চক কিছু একটা করবে তা নয়, গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচ হে’রে করু’ণ বিদা’য় নিতে হয়েছে।

 

এশিয়ার অন্যদেশগুলো যেমন জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও অস্ট্রেলিয়া পয়েন্ট পেলেও ঠিক বিপরীত চিত্র স্বা’গতিকদের। এতকিছু করেও নিজেদের দেশের ম’হাযজ্ঞ’ থেকে যে কোনও পয়েন্টই নিতে পারলো না। মাঠের পারফরম্যান্সে পারলো না স্মর’ণীয় হয়ে থাকতে। হয়তো শেষ পর্যন্ত অনেক বিত’র্কের পর মাঠের আয়োজনে পুরোপুরি উৎরে গেলেও কাতারের আফসোস কিন্তু ঠিক’ই রয়ে যাবে। নিজের দেশে যে নৈপু’ণ্য দেখানো হলো না!

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *