দেহহীন আয়াতের মাথায় আটকানো ছিল রঙিন ক্লিপ, দেখে তাকিয়ে রইলো বাবা

ছোট্ট আয়াতের হা’সিতে আন’ন্দ খুঁজে পেতেন সোহেল-তামান্না দম্প’তি। বিকেল হলেই খেলায় মে’তে উঠতো মেয়েটি। কিন্তু গেল ১৭ দিনে এ দম্প’তির ঘরে নেই কোনো আ’নন্দ। হাসি-খু’শিতে মা’তিয়ে রাখা সেই মেয়েটির লা’শের টুকরোর স’ন্ধা’নেই পার করেছেন দিন। সাগরে ভা’সিয়ে দেওয়া আয়াতের দুই পা’য়ের পর এবার খোঁ’জ মিলেছে বি’চ্ছি’ন্ন মা’থাটির।

 

তবে চুলে আ’টকানো ছিল রঙিন ক্লিপ। বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার আকমল আলী ঘাটের স্লুইসগেট এলাকা থেকে আয়াতের বি’চ্ছি’ন্ন মা’থাটি উ’দ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে খ’ণ্ডি’ত অং’শের ডিএ’নএ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। বাকি চা’র অং’শের খোঁজেও চলছে অ’ভিযা’ন।

 

পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা বলেন, আ’বিরের দেওয়া তথ্যমতে আকমল আলী ঘাটের স্লু’ইসগেট এলাকায় অ’ভিযা’ন চালাতে থাকে পিবিআই। একপর্যায়ে স্লুইসগেট থেকে আধা কিলোমিটার দূরে সা’গরের কাছাকাছি একটি পলি’থিন ব্যাগে কিছু আছে বলে পিবিআইকে জানান এক জে’লে। এরপর সেখানে গিয়ে আয়াতের দে’হাংশ’টি উ’দ্ধার করা হয়।

 

তিনি বলেন, হ’ত্যাকা’ণ্ডের ১৭ দিন হওয়ায় অনেকটা বিকৃ’ত হয়ে গেছে আয়া’তের চেহারা। তবে মাথার চুল ও ক্লিপ দেখে সেটি তারই দে’হাংশ শনা’ক্ত করেন স্বজনরা। উ’দ্ধার হওয়া খ’ণ্ডিত অংশগুলোর ডি’এ’নএ টেস্ট করা হবে।

 

এর আগে, বুধবার বিকেলে স্লুইসগেটের খাল থেকে প’লিথি’নে মো’ড়ানো আয়াতের দুই পা উ’দ্ধা’র করা হয়। আয়াত ইপিজে’ড থানার নয়ারহাট ওয়াছ মুন্সি বাড়ির সোহেল রানার মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে ভাড়ায় থাকে আবিরের পরিবার।

 

আয়াত নি’খোঁ’জের ৯ দিনের মাথায় ২৪ নভেম্বর রাতে আকমল আলী সড়কের পকেট গেট এলাকা থেকে আবিরকে আট’ক করে পিবিআই। আট’কের পর তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে খু’লে ঘটনার জ’ট।

 

পিবিআই’র কাছে একের পর এক চাঞ্চ’ল্যকর তথ্য দিতে থাকেন আবির। এরপরই তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থা’নে অ’ভিযা’ন চা’লিয়ে হ’ত্যা’য় ব্যবহৃত বঁ’টি ও অ্যা’ন্টি কা’টার উ’দ্ধার করে পিবিআই। উ’দ্ধার করা হয় আয়াতের জু’তাও।

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *