কাতারের লুসাইল শহরে আধুনিক তিন চাকার ট্রে’ন্ডি ই-রিকশা দিনদিন জনপ্রিয় পরিবহন হয়ে উঠছে। জনপ্রিয় ট্রেন্ডি ই-রিকশাগুলো প্লেস ভেন্ডো’ম, লুসাইল মেরিনা ফুড এরিনা ও কাতারা টাওয়ার এলাকায় ঘুরতে আসার মানুষকে সেবা দিচ্ছে।

জুলাই থেকে অন্তত পাঁচটি বৈ’দ্যুতিক রিকশা এই তিন জায়গায় পরিবহন সেবা দিচ্ছে। সাধারণত এগুলো আই লাভ লুসাইল মূর্তি, ফুড এরিনা ও প্লেস ভেন্ডোমে থাকে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ট্রেন্ডি রিকশাগুলো যাত্রী পরিবহন করে।

ই-রিকশায় যাতায়াতের চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। বিশেষ করে সপ্তাহান্তে এর চহি’দা খুব বেশি বেড়ে যায়। কারণ তখন মানুষ নিজেদের পরিবার ও শিশুদেরকে নিয়ে এখানে ঘোরাঘুরি করতে পছ’ন্দ করেন। পরিবেশ বান্ধব ই-রিকশাগুলো ঘন্টায় ১৫ থেকে ২৩ কিলোমিটার বে’গে চলতে পারে।

এছাড়াও ই-রিকশাগুলো ই’লেক্ট্রিক পাওয়ার ব্যবহার না করে প্যাডেল করেও চালানো যায়। রিকশাগুলো দর্শকদের নিজেদের সুবিধামতো তিনটি জনপ্রিয় সাইট উপভোগ করার সুযোগ দেয়। জানা গেছে, ই-রিকশার মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের যাত্রায় খরচ হয় ৬০ রিয়াল। প্রতিটি রিকশায় চালকসহ আরা’মকরে চারজন বসতে পারেন।

ট্রেন্ডি ই-রিকশার একজন চালক বলেন, আমরা এখানে সবার নিরাপ’ত্তার বিষয়ে খুবই সত’র্ক। ফলে আমরা কখনো দ্রুত চালানোর চেষ্টা করি না। কারণ আমরা যে পথে রিকশাগুলো চালাই সেই পথগুলোতে অনেক লোক চলাচল করে।

আমরা চাই দর্শকরা যাতে ট্রেন্ডি ই-রিকশার রাইডগুলো ভালোভাবে উপভো’গ করতে পারে। সবসময় কমপক্ষে দুটি রিকশা প্লেস ভেন্ডোম স্টেশনে থাকে। দুটি থাকে ফুড এরিনাতে ও একটি আই লাভ লুসাইল স্টেশনে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে রিকশাগুলো ব্যবহার করতে প্রতিটি স্টেশনে এগুলো রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.