যাত্রীর সোনার বার নিয়ে চম্পট বিমানবন্দরের দুই কর্মী, এপিবিএনের হাতে ধরা

সৌদি আরব থেকে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন মো. শহিদুল ইসলাম। তার স’ঙ্গে ছিল দুটি সোনার বার। তিনি জান’তেন না সোনার বারের জন্য শু’ল্ক কোথায় দিতে হয়। বিমান থেকে নেমে বোর্ডিং ব্রি’জের কাছে বিমানবন্দরের দুই কর্মীর কাছে শু’ল্ক দেওয়ার বিষয়ে সহায়তা চান সৌদি প্রবাসী শহিদুল।

 

তাকে সহযোগিতার কথা বলে বিমানবন্দরের বিভিন্ন জায়গায় ঘু’রিয়ে সোনার বার দুটি নিয়ে পা’লিয়ে যায় সেই দুই কর্মী। সোনার বার হা’রিয়ে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের কাছে অ’ভিযো’গ করেন ওই প্রবাসী। তার অ’ভিযো’গের ভি’ত্তিতে এই দুই কর্মীদের আ’টক করেছে বিমানবন্দর আর্মড ‍পুলিশ।

 

জানা গেছে, ৮ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে সৌদি আরব থেকে ঢাকায় আসেন মো. শহিদুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইরে। বিমান থেকে নেমে নিজের স’ঙ্গে থাকা দুটি সোনার বারের শু’ল্ক দেওয়ার বিষয়ে জানতে বিমানবন্দরের ৫ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজের কাছে এক ক’র্মীর কাছে যান তিনি।

 

সেই কর্মীর কাছে শহিদুল বলেন, আমার কাছে দুটি সোনার বার আছে, আমি কোথায় গিয়ে শু’ল্ক দেবো? সেই কর্মী আরেকজনকে দে’খিয়ে দিয়ে বলেন, ওই ব্যক্তি আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন। পরবর্তীতে ওই দুই জন সহায়তার কথা বলে শহিদুলের দুটি সোনার বার নিয়ে নেন। তাকে বিমানবন্দরে ঘো’রাতে থাকেন।

 

একপর্যায়ে তারা দুই জন সোনার বার নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বে’র হয়ে যান। পরে তাদের না পেয়ে শহিদুল ইসলাম বোর্ডিং ব্রি’জ এলাকায় ঘুরতে থাকেন। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ সদস্যরা তার কোনও সম’স্যার হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পুরো ঘটনা খুলে বলেন এই প্রবাসী। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরি’ক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বাংলা ট্রি’বিউনকে বলেন, প্রবাসী শহিদুল ইসলামের অ’ভিযো’গ পেয়ে আমারা ঘট’নার তদ’ন্ত শুরু করি।

 

সিসি ক্যামেরার ফু’টেজ বিশ্লেষণ করে দুই ব্য’ক্তিকে শ’না’ক্ত করা হয়। জানা গেছে, পরে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ৯ জানুয়ারি সেই দুই জনকে বিমানবন্দরে আট’ক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সোনার বার নেওয়ার কথা অ’স্বীকার করেন। পরে তথ্য-প্রমাণ উপ’স্থাপন করলে স্বী’কার করেন তারা।

 

এই দুই কর্মী হলেন মো. আনোয়ার হোসেন (৪২) ও মো. আবুল কালাম আজাদ (২৬)। তারা দুজন বিমানবন্দরের এয়া’রকুলার র’ক্ষণাবে’ক্ষণ কাজে নিয়োজিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সহকারী ম্যাকা’নিক হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, তাদের বি’রু’দ্ধে আই’নগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সোনার বার যাত্রীকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *