এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপের তুল’নামূলক দু’র্বল প্রতিপ’ক্ষ আফগানিস্তান। এশিয়া এই উঠতি দলটির বিপ’ক্ষে চ্যালে’ঞ্জিং স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান তুলতে সম’র্থ হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করে অপ’রাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

এশিয়া কাপের চলমান ১৫তম আসরের তৃতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার মুখোমু’খি হয় বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সি’দ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বি’পাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আ’উট হয়ে ফেরেন ওপেনার নাঈম শেখ। পাঁচ মাস পর খেলতে নেমে মাত্র ৬ রান করে আউ’ট হন তিনি। সবশেষ চলতি বছরের মার্চে এই আফগানদের বিপ’ক্ষে মিরপুরে দুই ম্যাচে ২ ও ১৩ রানে আউ’ট হয়েছিলেন নাঈম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ৩ ম্যাচে নাঈমের সংগ্রহ মাত্র ২১ রান।

নাঈম আউট হওয়ার ৫ রানের ব্যবধা’নে ফেরেন অন্য ওপেনার এনামুল হক বিজয়ও। তিনি ১৪ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে ফেরেন। দলের এমন কঠিন পরিস্থি’তিতে হাল ধরতে পারেননি অধিনায়ক সাকিব। তিনি মুজিবের বলে সরাসরি বো’ল্ড হয়ে ফেরেন। সাকিব আউ’ট হওয়া’র পর রশিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

ইনিংসের ১১তম ওভারে রশিদ খানের করা দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এলবিডব্লি’উ হয়ে ফেরেন আফিফ হোসেন। তিনি ১৫ বল খেলে ১২ রানে আউট হন। তার বিদায়ে ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে স’ঙ্গে নিয়ে ‘ষষ্ঠ উইকেটে ৩১ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। ২৭ বলে ২৫ রান করা টি-টোয়েন্টির সাবেক এই অধিনায়ক স্কোর মোটাতাজা করতে বাউন্ডারি হা’কাতে গিয়ে আউট হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.