কাতার বিশ্বকাপ সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে তৈরি করা হচ্ছে ‘কাতারা কালচারাল ভিলেজ’ নামক একটি কৃ’ত্রিম ভিলেজ। বিশ্বের নানা প্রা’ন্ত থেকে কাতারে আসা দর্শনার্থীদের বিনোদন নিশ্চিতে ভিলেজটিতে রাখা হয়েছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। কৃত্রিম পাহাড়, মসজিদ, ভ্রমণকেন্দ্র, বাগানসহ রয়েছে চোখ ধাঁ’ধানো সব আয়োজন। ভি’লেজটি মূলত বিশ্বকাপে দর্শনার্থীদের বিনোদনে বিভিন্ন কনসার্ট ও ওয়ার্কশপ আয়োজনে কাজ করবে।

 

বিশ্বকাপ মহার’ণের কাউন্টডা’উন শুরু হয়ে গেছে। কাতারজুড়ে চোখ ধাঁ’ধানো সব আয়োজনে ব্যস্ত বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটি। নান্দনিক স্টেডিয়াম, হোটেল-মোটেল, স্থাপনা, মিউজিয়ামসহ নানা ধরনের আয়োজনের তোড়জো’ড় চলছে কাতারের শহরগুলোতে। বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রায় ১৫ কোটি দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে ইতোমধ্যেই আরও এক নান্দ’নিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিশ্বকাপ আয়োজকরা।

 

এই মহারণ উপভো’গ করতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ টি’কিট বুকিং দিয়েছে। দর্শনার্থীদের সামনে কাতারের ঐতিহ্য তুলে ধরতে ‘কাতারা কালচারাল ভিলেজ’ নামে একটি সাংস্কৃতিক গ্রাম তৈরি করছে মরুভূমির দে’শটি। বিশ্বকাপ চলাকালে সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে এই ভিলেজ।

 

এটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যেখানে একজন পর্যট’ক ভ্রমণ, চিত্তবিনোদন, সংস্কৃতি সম্পর্কে জানাসহ সব ধরনের প্রয়োজন মে’টাতে পারবে। কাতারা কালচারাল ভিলেজটিতে রাখা হয়েছে অ্যাম্ফিথিয়েটার, গ্যালারি, বাগান, রেস্তোরাঁ, মসজিদ, কৃ’ত্রিম পাহাড়, বাগান, সমুদ্রসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা। এ ধরনের ভিলেজে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানানোর একটি দারুণ মাধ্যম বলে মনে করেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

 

কাতারা কালচারাল ভিলেজের পাকলিক রিলেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন এর ডিরেক্টর সালেম মাবখট আলমা’রি বলেন, ‘কাতারা কালচারাল ভিলেজ এমন একটি ফাউন্ডেশন যেখানে আমরা পর্যটকদের বিনোদন, ভ্রমণ ও সংস্কৃতি চর্চার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করেছি। কাতারের অন্যান্য সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের থেকে এটি ভিন্ন।

 

কেননা, এখানে রয়েছে নান্দ’নিক সব স্থাপত্য যা দেশটির সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এ ছাড়া এই ভিলেজটিতে রয়েছে পাহাড় ও সুসজ্জিত বাগান। কাতারা ভিলেজটি বিশ্বকাপের বিভিন্ন ইভেন্টের সঙ্গে সম্পৃ’ক্ত থাকবে।’

 

কাতারা কালচারাল ভিলেজটির মাধ্যমে বিশ্বকা’পের বিভিন্ন কনসার্ট, ওয়ার্কশপ, মেলা থেকে শুরু করে নানা ধরনের ইভে’ন্ট আয়োজন করা হবে। যার মাধ্যমে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের একত্র করা ও চিত্ত বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূ’মিকা পালন করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.