শুরুর দিকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মাঝে আফিফ হোসেনের ঝড়ো ইনিংসের পর শেষদিকে মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যামিওতে ৭ উইকেটে ১৮৩ রানের বিশাল সংগ্রহ তুলেছে বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে থাকেন দুই ওপেনার। পাওয়ার ক্রিকেটে আসতে থাকে বাউন্ডারি।

 

যদিও ১৯ রানের মাথায় আসিথা ফা’র্নান্দোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাব্বির। তবে ওপেনিংয়ে নামা আরেক ব্যাটার মিরাজ মুগ্ধ করছেন তার ধুমধারাক্কা ব্যাটিংয়ে। উইকেটের চারদিকে শট খেলে পাওয়ার প্লের ফায়দা তোলেন মিরাজ। কখনো ডাউন দ্য উইকেটে এসে বাউন্ডারি। কখনো স্কুপে ছক্কা। পাওয়ার প্লেতে মিরাজ করেন ৩৮ রান। খেলেন মাত্র ২৪ বল। যেখানে দলের মোট রান ৫৫।

 

তবে ইনিংসের সপ্তম ওভারের পঞ্চ’ম বলে বাংলাদেশ শিবিরে আঘাত হানেন লেগ স্পিনার ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা। তার গুগলি বুঝতে না পেরে দলীয় ৫৮ রানের মাথায় বো’ল্ড হন মিরাজ। যাওয়ার আগে ২৬ বলে ৩৮ করেন মিরাজ। মিরাজের বিদায়ের পর উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুশফিকও। দলীয় ৬৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪ রানে ফেরেন এই উইকেটকিপার।

 

শ্লথ গতিতে ইনিংস শুরু করলেও খোলস ছেড়ে বের হওয়া শুরু করেছিলেন তিন নাম্বারে মাঠে নামা সাকিব। তবে দলীয় ৮৭ রানে ব্যক্তিগত ২৪ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক। এরপর দারুণ এক জুটি গড়েন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাত্র ৩৭ বলে দুজনে মি’লে গড়েন ৫৭ রানের জুটি।

 

তবে ১৪৪ রানে আফিফ ও ১৪৭ রানে রিয়াদ ফিরলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। আফিফ ২২ বলে ঝড়ো ৩৯ ও সমপরিমাণ বল খেলে ২৭ রান রিয়াদের। তবে বাংলাদেশের চাপ কমান ফ’র্মে থাকা মোসাদ্দেক। মাত্র ৯ বলে অপরা’জিত ২৪ রান করেন মোসাদ্দেক। ৬ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.