রাষ্ট্রীয় বিমানসংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ২০৩০ সালের মধ্যেই এশিয়ার টপ টেন এয়ারলাইন্সে উন্নী’ত করার পরিক’ল্পনা নেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বিমানের বর্তমান বহর দ্বি’গুণ করা, আরও অন্তত দশটি গন্তব্য চালু করা ছাড়াও বিশ্বমানের যাত্রী সেবা নিশ্চিত করা হবে।

 

বিমানের ঊনপঞ্চাশতম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপল’ক্ষে এমন তথ্যই প্রকাশ করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বির হোসেন। তিনি বেশ দৃ’ঢ়তার সঙ্গেই বলেন, আগামী দশ বছরের মধ্যেই এশিয়ার টপ টেন এয়ারলাইন্সের অন্তর্ভু’ক্ত করা হবে বিমানকে। এজন্য নেয়া হচ্ছে বিশাল কর্মপরিকল্পনা। মূল কথা হচ্ছে, বিশ্বমান অর্জনের রূপক’ল্প সামনে রেখে কাজ করা হচ্ছে।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জা’রির মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর টানা পঁয়ত্রিশ বছর বিমান ছিল সরকারের কর্পোরেশনভুক্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

এ সময়ের মধ্যে বিমান বরবরাই ছিল লোকসানের কবলে। যদিও আশির দশক ছিল বিমানের জন্য সবচেয়ে সোনালি সময়। ওই সময়ের আলোচিত ব্র্যান্ডনিউ ৫টি ডিসি-১০ প্লেন দিয়ে বিমান দাপিয়ে বেড়িয়েছে প্রা’চ্য থেকে পাশ্চাত্যে। জাপানের নারিতা থেকে শু’রু করে সাত আটলান্টিকের ওপার নিউইয়র্কসহ ২৯টি গন্তব্যে ছিল বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট।

 

১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতাসী’ন হবার পর থেকে শুরু হতে থাকে একের পর এক রুট বন্ধের কূটকৌশল। সর্বশেষ ২০০৬ সালে লোকসানের অজুহাতে ব’ন্ধ করে দেয়া হয় এয়ারলাইন্স দুনিয়ার সবচেয়ে প্রেস্টিজিয়াস রুট। যা আজও চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.