মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা, ইসলামনগর গ্রামের আপ্তাব মিয়ার পুত্র কাতার প্রবাসী সদ্য বিবাহিত নতুন বর মোঃ শিপন মিয়া (৩২) মানব পা’চার মাম’লায় (মাম’লা নং- ৫০/২০২০ইং) ভু’য়া ওয়ারে’ন্টে ১২ দিন কা’রাবাস শেষে কা’রাগার হইতে জা’মিনে মু’ক্তি পান।

 

গত ৬ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার ৫নং আমল গ্রহণকারী আ’দালতের বি’জ্ঞ বিচারক তাকে এ জা’মিন দেন। যে ওয়ারে’ন্টে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে সেই ও’য়ারেন্ট ও মাম’লা ছিল ভু’য়া। কোনোরকম যাচাই বাছাই ছাড়াই ভু’য়া ওয়ারে’ন্টে গ্রেফ’তারের ফলে তাকে কা’রাবাস করতে হয়েছে।

 

সদ্য বিবাহিত দেশে ফেরৎ প্রবাসী মোঃ শিপন মিয়া জানান- বিয়ের ১০দিন পর পুলিশ ভু’য়া ওয়া’রেন্ট দিয়ে গ্রে’ফতার করে। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে অনেক অনুরো’ধ করেছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আমাকে গ্রে’ফতার করার জন্য। তিনি আমাকে সময় দিতে অপা’রগতা প্রকাশ করেন। আমি সামাজিক, মানষিক ও আর্থিক ভাবে অনেক ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয়েছি। ক্ষ’তিপূরণসহ দা’য়ীদের দৃ’ষ্টান্তমূলক শা’স্তি দা’বী করছি।

 

আসা’মী পক্ষের বি’জ্ঞ আইনজীবি সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম সিরাজী জানান- সদ্য দেশে ফেরৎ কাতার প্রবাসী মোঃ শিপন মিয়াকে কুলাউড়া থানার পুলিশ গত ২৬ আগস্ট গ্রে’ফতার করে। যে গ্রেফ’তারী ওয়ারে’ন্ট মূলে ধূত করা হয়েছে। সেই মাম’লার এজাহার, এফআইআর ও চার্জসীটে আসা’মীর নাম ও ঠিকানা নাই।

 

সংশ্লিস্ট মানব পা’চার অপরা’ধ দ’মন ট্রাইব্যুনাল, সিলেট আদালতে খোঁজ নিয়ে এই ধরনের কোনও মাম’লা (মাম’লা নং- ৫০/২০২০ইং এবং ১৭/২০২০ইং) অ’স্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ভু’য়া ২টি মাম’লা দেখানো হয়েছে। প্রত্যেকটা সার্চিং ¯িøপ উত্তোলন করে এনেছি। যারা ষ’ড়য’ন্ত্র করে ফাঁ’সিয়ে ভু’য়া ও’য়ারেন্টে গ্রেফতার করিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টা’ন্তমূলক শা’স্তি দা’বি করছি।

 

পুলিশ প্রশাসনের উচিত বিষয়টি তদ’ন্ত করে তাদের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। যাতে আর কোনও নি’রাপরাধী এভাবে ভু’য়া ওয়ারেন্টে জে’ল না খাটে। এ ব্যপারে জানতে চাইলে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুছ ছালেক জানান- বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে পুলিশ সুপার কার্যালয় ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এর মাধ্যমে সংশ্লিস্ট থানায় আসে। এখানে যাছাই করার সুযোগ থাকেনা। বিষয়টি দুঃখ’জনক। দা’য়ী ব্যক্তিদের সনা’ক্ত করা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.