বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, ত’র্কে বহুদূর। বাংলা এই প্রবাদ বাক্যটা যেন নাসিম শাহ’র ব্যাটে প্রমা’ণ হলো আবার। দলের দশ নম্বর ব্যা’টার হয়েও কীভাবে ম্যাচ বের করে আন’তে হয় সেটা নিঃস’ন্দেহে শিক্ষণীয়। আফগানদের দেয়া ১২৬ রানের মামু’লী লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৮ রানে যখন ৯ উইকেট হা’রিয়ে হা’রের দ্বা’রপ্রা’ন্তে পাকিস্তান, ঠিক তখনই ব্যাট করতে নামেন নাসিম শাহ।

 

শেষ ওভারে নাসিম শাহ আর কি-ই বা করবেন বোলার হয়ে? এই বিশ্বাস হয়তো ফজল হক ফারুকির মতো অভি’জ্ঞ বোলারের ছিল। কিন্তু ইয়’র্কার লেং’থে করা ওভারের প্রথম বলটা লং অফের উপর দিয়ে বা’উন্ডা’রি ছাড়া করেন নাসিম। শেষ পাঁচ বলে প্রয়োজন আরও ৫ রান। দ্বিতীয় বলটা আবারও ইয়’র্কার, আবারও একই জায়গা দিয়ে বাউন্ডা’রির বাইরে পাঠিয়ে অ’বিশ্বাস্য এক জয় এনে দেন নাসিম।

 

আ’নপ্রেডি’ক্টেবল খ্যাতি পাওয়া পাকিস্তানের দশ নম্বর ব্যাটারও যে এতটা আনপ্রেডিক্টে’বল হয়ে উঠবে কারও মাথায় হয়তো ছিল না। কার মা’থায় কি থাকল আর না থাকল সেসব না ভেবে নাসিম বিশ্বাস করেছিলেন তিনি পারবেন এই কঠিন পরিস্থিতিটা সামা’ল দিতে।

 

ম্যাচ শেষে নাসিম বলেন, ‘আমি যখন ব্যাট করতে যাই তখন ছ’ক্কা মা’রার বিশ্বাস ছিল। আমি অনুশীলন করি (ছক্কা মা’রা) এবং আমি জানতাম তারা ইয়’র্কার বল করবে কারণ তারা মাঠের উপরের দিকে থাকবে। বিশ্বাস থাকা দরকার, আমরা নে’টে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছি এবং আমি আমার ব্যাটও পরিবর্তন করেছি, এটি কাজ করেছে।’

 

নাসিম যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন অপর প্রা’ন্তে ছিলন আসিফ আলী। নাসিম জানেন ওই সময়ে আসিফকে স্ট্রা’ই’ক দেয়া ছাড়া উ’পায় নেই। কিন্তু আসিফ যখন আউ’ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তখন পুরো দায়িত্বটা নিজের কাঁ’ধে তু’লে নেয়ার কথা জানান নাসিম। ‘আমি যখন মাঠে ঢু’কেছিলাম তখন আসিফ সেখানে ছিল এবং আমার কাজ ছিল তাকে স্ট্রা’ইক দেওয়া কিন্তু একবার সে আ’উট হয়ে গেলে দা’য়টা আমার ওপর পড়ে।

 

আপনি যখন না’ইন ডা’উন হন তখন খুব কম বিশ্বাস থাকে তবে আমার আত্মবিশ্বাস ছিল এবং এটি আমার জন্য একটি স্ম’রণীয় খেলা হবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল কারণ আমরা জানতাম আজ একটি জয় এবং আমরা ফাইনালে থাকব।’

 

নাসিমের অ’বিশ্বাস্য ব্যা’টিং নিয়ে বাবর আজম বলেন, ‘নাসিম অ’সাধারণ ছিল। আমি আগেও নাসিমকে এভাবে খেলতে দেখেছি, তার প্রতি আমার বি’শ্বাস ছিল। এই মুহূর্তটি আমাকে জা’ভেদ মিয়াঁদাদের ছ’য়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.