কাতারে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হচ্ছে দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেটি ওল্ড এয়ারপোর্ট নামে বেশি পরিচিত। তবে সুখের বিষয় হলো, এই ১৩টি এয়ারলাইনসের মধ্যে পাকিস্তান, নেপাল, আরব আমিরাত, মিসর, কুয়েত, ওমান ও তুর’স্কের বিভিন্ন এয়ারলাইনসের নাম থাকলেও নেই বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইনসের নাম।

 

তবে এমন কিছু এয়ারলাইন’সের নাম রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এমন খবরে স্ব’স্তি প্রকাশ করেছেন কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

 

তারা বলছেন, কাতারে বিশ্বকাপ চলাকালেও হামাদ এয়ারপোর্ট ব্যবহারের সুযোগ থাকায় বিমান বাংলাদেশ বা ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইনসের কোনো যাত্রীকে দোহা এয়ারপোর্টে যেতে হবে না।

 

পুরনো দোহা এয়ারপোর্টে যে ১৩টি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করবে, সেগুলো হলো: এয়ার আরাবিয়া, এয়ার কায়রো, বাদর এয়ারলাইনস, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস, ইতিহাদ এয়ারলাইনস, ফ্লাই দুবাই, হিমালায়া এয়ারলাইনস, জাজিরা এয়ারওয়েজ, নেপাল এয়ারলাইনস, পাকিস্তান এয়ারলাইনস, পেগাসাস এয়ারলাইনস, সালাম এয়ার, তারকো এভিয়েশন।

 

এর মধ্যে নিয়মিত বাংলাদেশে ফ্লা’ইট পরিচালনা করে থাকে এয়ার আরাবিয়া, ইতিহাদ, ফ্লাই দুবাই, জাজিরা এয়ারওয়েজ ও সালাম এয়ার।

 

তাই এসব এয়ারলাইনসে যারা ঢাকা বা চট্টগ্রামে যাবেন, তাদেরকে দোহা ‍পুর’নো বিমানবন্দর দিয়ে যেতে হবে। ২০১৪ সালে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হওয়ার পর থেকে দোহা বিমানবন্দর আ’ধা অবসরে রয়েছে।

 

বিমানবন্দরটি মূলত কাতারের রাজপরিবার ও ভিআইপিদের পাশাপাশি এয়ার ফোর্সের ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি দিয়ে কেবল জুনেই তিন লাখ যাত্রী পারাপার হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.