সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ’য় একটি ব’হুতল ভবনের দারোয়ান নেপালের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ। বৃহস্পতিবার তিনি ভবনটির র’ক্ষণাবেক্ষ’ণের কাজ পর্যবে’ক্ষণ করছিলেন। এ সময় হ’ঠাৎ তার চোখ যায় ভবনটির উপরের দিকে।

 

উপরের দিকে তাকিয়ে তিনি ১৩ তলায় এক শিশুকে জানালার কার্নিশে ঝু’লে থাকতে দেখে শি’উরে ওঠেন। খালিজ টাইমসকে ৪৩ বছর বয়সী রহমাতুল্লাহ বলেন, সেই সময়টা ছিল জীবন কিংবা মৃ’ত্যুর এবং এক মুহূ’র্তেই যেকোন কিছু ঘ’টে যেতে পারত।

 

পুলিশ জানায়, ৫ বছর বয়সী ওই সিরীয় ছেলে শিশুটিকে ঘুম’ন্ত অবস্থায় রেখে তার জন্য সকালের খাবার কিনতে বের হয়েছিলেন তার মা। ওদিকে ঘুম ভে’ঙে মাকে না পেয়ে ছোট শিশুটি জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায় মাকে খুঁ’জতে।

 

জানালা দিয়ে বেরিয়ে খা’নিকটা উঠে আ’টকে যায় বাচ্চাটি। যখন ভবনটির বাসিন্দা ও কর্মচারীরা তাকে দেখতে পায় তখন সে একেবারে কিনা’রায় দাঁ’ড়িয়ে জানালা ধরে ঝু’লে ছিল।

 

খবর দেয়ার পর যখন পুলিশ যখন রাস্তায় তখন বাসিন্দা ও কর্মচারীরা ভবনটির নীচে কম্বল ও বেডশি’ট জ’ড়ো করতে শুরু করে যাতে করে বাচ্চাটি পড়ে গেলে তাকে বাঁ’চানো যায়।

 

অন্যদিকে সে সময় রহমাতুল্লাহ, এক মিশরীয় বাসিন্দা এবং এক কর্মচারী দ্রুত ওই অ্যাপর্টমেন্টে পৌঁছান। দুই সন্তানের বাবা রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘আমি বাচ্চাটির বাবাকে ফোন দিয়ে দরজা ভা’ঙার অনুমতি চাই।

 

তারপর আমারা অ্যাপার্টমেন্টে ঢু’কি এবং বাচ্চাটিকে ভেতরে টেনে নিতে স’ক্ষম হই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি দ্রুতই কিছু করার চেষ্টা করেছিলাম কারণ বাসিন্দাদের নিরাপ’ত্তা নিশ্চিত করাই হলো আমার দায়িত্ব।

 

আমি একজন বাবা হিসেবেও চি’ন্তা করেছি কারণ সেখানে আমার ছেলেও থাকতে পারত। খবরে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবারের এ ঘটনার পর পুলিশ রহমাতুল্লাহ ও ভবনটির বাসিন্দা আদেল আব্দুল হাফিজকে পুরস্কৃত করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.