হঠাৎ ভোরবেলায় বিড়ালের ডাকে ঘু’মে ভে’ঙে যায় বাড়ির সকলের। বিড়ালকে থা’মাতে সেই ঘরে ছুটে গিয়েই দেখতে পায় সি’লিংয়ে ঝুলছে ১৮ বছরের কলেজছাত্রী তয়নার ঝুল’ন্ত দে’হ। এসময় বাবা-মায়ের চিৎ’কারে আশেপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তয়না আক্তারের মৃ’তদে’হ উ’দ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে লা’শ উ’দ্ধার করে ম’য়নাতদ’ন্তের জন্য ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।

 

তয়না জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং শরীয়তপুর পৌরসভার তুলাসার গ্রামের নুরুজ্জামান ফকিরের মেয়ে।

 

পরিবারের দাবি, তয়নার সঙ্গে একই কলেজের নয়নের প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। নয়নের সঙ্গে অন্য এক মেয়ের ছ’বি দেখে তার স’ঙ্গে বাগবিত’ণ্ডা হয়। এ ঘটনায় তিনি আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন।

 

পরিবারের সদস্যদের বরা’ত দিয়ে পুলিশ জানায়, তয়না ও নয়নের মধ্যে তিন বছর ধরে প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের মধ্যে ম’নোমা’লিন্য হলে নয়নের সঙ্গে অন্য একটি মেয়ের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। রাতে মেসেঞ্জারে কেউ একজন নয়নের সঙ্গে অন্য এক মেয়ের ঘনি’ষ্ঠ কয়েকটি ছ’বি দেয় তয়নাকে।

 

ছবি দেখার পর রাতে বন্ধুদের এসএমএস দিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেন। ভোরে বিড়ালের ডাকে ঘুম ভা’ঙে পরিবারের সদস্যদের। বিড়াল খুঁজতে গিয়ে তয়নার রুমে তার মৃ’তদেহ দেখতে পায়।

 

নিহ’তের বাবা নুরুজ্জামান ফকির বলেন, “গতকাল রাতেই ওই নয়ন আমার মেয়েকে অক’থ্য ভা’ষায় অনেক গা’লিগা’লাজ করেছে। বলেছে, ‘তোর সাথে এত দিন সম্প’র্ক করেছি টাইম পাস করার জন্য। তুই একটা ড্রাইভারের মেয়ে, খারা’প মেয়ে। ’

 

আমার সোনার টুকরা মেয়ে এমনে চইলা যাইব যদি জানতাম, সারা রাত আমি পাহারা দিতাম। আইনের মাধ্যমে আমি ওই নয়নের বি’চার চাই। পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতার হোসেন জানান, একটি ছেলের স’ঙ্গে প্রে’মঘটি’ত বিষয় নিয়ে ম’নোমালি’ন্য হওয়ায় মেয়েটি আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন। এখন আ’ত্মহ’ত্যা প্ররোচনার মাম’লার প্রস্তুতি চলছে। ময়’নাত’দন্ত শেষ হয়েছে। পরিবারের কাছে মৃ’তদেহ হস্তান্তর করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.